‘গুপ্তধনের সন্ধানে’, ‘দুর্গেশগড়ের গুপ্তধন’, ‘কর্ণসুবর্ণের গুপ্তধন’-এর পর আসছে গুপ্তধন ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ ছবি। নাম, ‘সপ্তডিঙ্গার গুপ্তধন’। সম্প্রতি, মুক্তি পেয়েছে সেই ছবির ঝলক৷ এই গুপ্তধন ফ্র্যাঞ্চাইজিতে একের পর এক দুঃসাহসিক অভিযানের সৌজন্যে দর্শকের কাছের মানুষ হয়ে উঠেছে সোনাদা, আবির এবং ঝিনুক। ফ্র্যাঞ্চাইজির বাকী ছবিগুলির মতো ‘সপ্তডিঙ্গার গুপ্তধন’-এও  মূল চরিত্রে যথারীতি অভিনয় করছেন আবীর চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন চক্রবর্তী এবং ইশা সাহা। পরিচালনায় সেই ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায়। রহস্য, হাস্যরস, সাসপেন্সের মিশেলে বোনা হয়েছে এই ছবির গল্প। এবারের অভিযানের পটভূমি সুন্দরবন৷ নির্মাতাদের দাবি, রহস্য, ইতিহাস আর নির্মল হাস্যরসের মোড়কে সাজানো এই ছবির ক্যানভাস এবার অনেক বেশি বিস্তৃত।

ইতিমধ্যেই ছবির টিমের মুখোমুখি হয়েছিল আজকাল ডট ইন। সেই সাক্ষাৎকারে প্রসঙ্গ ওঠে সোনাদার প্রেম নিয়ে। সোনাদা কি এবার সিঙ্গল স্ট্যাটাস ঘোচাবেন? এই প্রশ্নে ইশা ওরফে ‘ঝিনুক’ বেশ কড়াভাবেই জানিয়ে দেন,  “আমরা তিনজনই বেশ আছি। তাই তিনজনের মধ্যে চারজনকে ঢোকানোর প্রয়োজনই নেই। দেখাক না প্রেম ঝিনুক আর আবিরের। ব্যস! সোনাদার প্রেম দেখানোর প্রয়োজনটাই বা কী!” 

 

 

ধ্রুব কিন্তু খানিক সোজাসাপটা এই বিষয়ে –“আরে! ওরাই আমাকে বলেছে এমন কোনও কাজ নেই যা আমরা তিনজন করতে পারি না। সুতরাং, চারজনের কোনও প্রয়োজন নেই। তাছাড়া দেখুন, এই ফ্র্যাঞ্চাইজিতে আজ অবধি কিন্তু বলা হয়নি যে সোনাদা প্রেম করছে। তাই সেটা যখন স্পষ্ট করে বলা হয়নি তাই হালকা একটা হসন্ত থাকে না। যতক্ষণ না বসন্ত আসছে ততক্ষণ হসন্ত দিয়েই কাজ চালানো চলুক!”  

পাশ থেকে অবশ্য ততক্ষণে অর্জুন ওরফে ‘আবির’-এর মন্তব্য, “সোনাদার একজন কেউ থাকলে কিন্তু মন্দ হয় না।” শোনামাত্রই ‘সোনাদা’র পাল্টা জবাব, “হ্যাঁ, হলে তো আবিরলালের ভারি  সুবিধাই হয়। তাঁর কাছে সোনাদার নামে নালিশ করতে পারত। তবে একটা কথা বলে দিই -সোনাদা কিন্তু কখনও নিজের প্রেমের বিষয়ে খোলসা করে কিছু বলেনি। মানে, অতীতে তাঁর কোনও সম্পর্ক ছিল বা এখনও বর্তমানে আছে কিংবা ভবিষ্যতে হতে পারে। তাছাড়া, ‘কর্ণসুবর্ণের গুপ্তধন’-এও তো ঝিনুক বলেছে আমাদের দলে চতুর্থজনের কোনও জায়গা নেই। আরও একটি ব্যাপার আছে। এই কারণেই হয়তো ঝিনুক আর আবির বিয়ে করছে না আর তাই তাঁদের মাধ্যমে চতুর্থজনেরও আসার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না...” আবিরের ইঙ্গিত শুনে ততক্ষণে হেসে লুটোপুটি সবাই। 

জানিয়ে রাখা ভাল, সোনাদা কিন্তু কখনওই গোয়েন্দা নয়। সে গুপ্তধনও খুঁজে বেড়ায় না। সে একজন অধ্যাপক। কোথাও বেড়াতে গিয়ে বা অন্য কোনও সূত্রে অ্যাডভেঞ্চারে জড়িয়ে পড়ে। সেই অভিযানে শামিল হয় আবীর-ঝিনুকও। এবারও তার অন্যথা হয়নি। তাই তো ইশা বলেন, “অ্যাডভেঞ্চারের খোঁজে সোনাদা, আবির এবং ঝিনুক যায় না। বরং অ্যাডভেঞ্চার ওঁদের পিছন পিছন আসে।”