আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ একাধিক বিধায়ক এবারও টিকিট পেয়েছেন। আবার অনেক বিধায়ক টিকিট পাননি। এই তালিকাটা ৭৪ জনের। 


একুশের নির্বাচনে যাঁরা লড়েছিলেন, তাদের মধ্যে ৭৪ জন এবার টিকিট পাননি। তালিকায় চিরঞ্জিৎ থেকে কাঞ্চন, জীবনকৃষ্ণ সাহা সহ অনেকেই আছেন। তবে জীবনকৃষ্ণর ছেলে টিকিট পেয়েছেন।


৭৪ জন বাদ যাওয়া বিধায়কের তালিকায় রয়েছে পার্থ চ্যাটার্জি, তপন দাশগুপ্ত, জোৎস্না মান্ডি, তাজমুল হোসেন, অসিত মজুমদার, মানিক ভট্টাচার্য, জীবনকৃষ্ণ সাহা, পরেশ পাল, স্বর্ণকমল সাহা, বিকাশ রায়চৌধুরী, বিবেক গুপ্তর মতো নামও৷
এছাড়াও টিকিট পাননি মনোরঞ্জন ব্যাপারী, সাবিত্রী মিত্র, সৌমেন মহাপাত্র, কাঞ্চন মল্লিক (উত্তরপাড়া), মঞ্জু বসু, দুলাল দাস, অসিত মজুমদার, নির্মল ঘোষরা। টিকিট পাননি তিন মন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি, বিপ্লব রায়চৌধুরী এবং জোৎস্না মান্ডি। 


আবার অনেক বিধায়কের কেন্দ্র বদল হয়েছে। তাদের মধ্যে আছেন শওকত মোল্লা, রানা চট্টোপাধ্যায়, রত্না চট্টোপাধ্যায়, প্রাক্তন পুলিশকর্তা হুমায়ুন কবীর, বিদেশ বসু, সোহম চক্রবর্তী। জানা গিয়েছে ৬০ শতাংশ বিধায়কের কেন্দ্রবদল হয়নি।

টিকিট না পেয়ে মনোরঞ্জন ব্যাপারী আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছেন।

এটা ঘটনা, প্রার্থীতালিকায় বরাবরই চমক দেন মমতা ব্যানার্জি। এবারও রয়েছে। প্রতিবারের মতো এবারও বিভিন্ন ক্ষেত্রের নামকরা ব্যক্তিত্বদের প্রার্থী তালিকায় রাখা হয়েছে। যেমন অভিনেতা থেকে অ্যাথলিট রয়েছেন। রয়েছেন সাংবাদিকও। আছেন সঙ্গীত জগতের মানুষও। 


মঙ্গলবার বিকেলে বিধানসভা ভোটের প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল। প্রার্থীতালিকায় রয়েছেন অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী। তিনি তৃণমূলের বিধায়ক ছিলেন। এবার দাঁড়ালেন করিমপুর কেন্দ্র থেকে। শুধু কেন্দ্র বদল হয়েছে তাঁর।


আরেক বিধায়ক ও গায়ক ইন্দ্রনীল সেন দাঁড়িয়েছেন চন্দননগর থেকে। এখানকারই বিধায়ক ছিলেন ইন্দ্রনীল। অভিনেতা অরুন্ধতী মৈত্র (‌লাভলি)‌ও বিধায়ক। এবারও দাঁড়িয়েছেন নিজের কেন্দ্র সোনারপুর দক্ষিণ থেকে। অভিনেতা সায়ন্তিকা ব্যানার্জি বরানগরের বিধায়ক ছিলেন। এবারও ওই কেন্দ্রেই তাঁকে টিকিট দিয়েছে তৃণমূল। 


প্রাক্তন ফুটবলার বিদেশ বসু দাঁড়িয়েছেন হুগলির সপ্তগ্রাম কেন্দ্র থেকে। এর আগেরবার তিনি দাঁড়িয়েছিলেন উলুবেড়িয়া কেন্দ্র থেকে। এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী স্বপ্না বর্মন এই প্রথম ভোটের ময়দানে। তিনি দাঁড়িয়েছেন রায়গঞ্জ কেন্দ্রে। এছাড়া বাংলার প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল দাঁড়িয়েছেন তুফানগঞ্জ থেকে। মঙ্গলবারই তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। আর বিকেলেই হয়ে গেলেন প্রার্থী। প্রার্থী তালিকায় আছেন সাংবাদিকরাও। দেবদীপ পুরোহিত দাঁড়িয়েছেন খড়দহ বিধানসভা থেকে। সাংবাদিক কুণাল ঘোষ দাঁড়িয়েছেন বেলেঘাটা কেন্দ্র থেকে।