আজকাল ওয়েবডেস্ক: পূজালির তৃণমূল কাউন্সিলর অস্ত্র আইনে গ্রেপ্তার। তাকে গ্রেপ্তার করল বিধাননগর পুলিশের এনএসসিবিআই থানার পুলিশ। ধৃতের নাম শেখ আমিরুল ইসলাম। পূজালি পুরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ আমিরুল ইসলাম গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে ৬ রাউণ্ড কার্তুজ ও একটি ফাঁকা ম্যাগজিন নিয়ে যাওয়ার সময় ধরা পড়ে। সেই সময় অজ্ঞাত কারণে তাকে জেলে পুড়তে পারেনি পুলিশ। রাজ্যে পালাবদলের পরেই সেই কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতকে কাউন্সিলরকে বুধবার আদালতে তোলা হবে। তাকে হেফাজতে নিয়ে এই ঘটনার আরও তদন্ত চালাবে পুলিশ।
এই বিষয়ে বিধান নগর পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বিধান নগর পুলিশ কমিশনারের এয়ারপোর্ট ডিভিশনের ডিসি ঐশ্বর্য সাগর বলেন, "বিগত সাত মাস ধরে আদালতের থেকে জামিনের এক্সটেনশন নিয়ে সুবিধা পাওয়ার কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। অবশেষে আজ তাকে গ্রেপ্তার করা গেছে।"
সোমবার ফলপ্রকাশের পর রাত থেকেই রাজ্যের পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হতে শুরু করে। ভাঙড়, বারুইপুর, হাওড়া এবং নানুর সহ একাধিক জায়গায় সংঘর্ষের খবর সামনে এসেছে। কোথাও তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, আবার কোথাও শাসকদলের কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে যখন রাজ্যের দুই প্রান্ত থেকে খুনের খবর আসে। এক দিকে যেমন তৃণমূলকর্মীর খুনের অভিযোগ উঠেছে, অন্য দিকে বিজেপিকর্মীকেও খুনের খবর মিলেছে। এই জোড়া খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর এখন চরমে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার রাজ্যের শীর্ষ আধিকারিকদের বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি রাজ্যের মুখ্যসচিব, পুলিশ প্রধান এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে সর্বদা সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেলকেও সক্রিয় থাকতে বলেছেন। জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যাতে তাঁরা এলাকাভিত্তিক চব্বিশ ঘণ্টা নজরদারি চালিয়ে দ্রুত শান্তি ফেরানোর ব্যবস্থা করেন।















