আজকাল ওয়েবডেস্ক: এরাজ্যে প্রথম দফার ভোটের আগে বেশ কড়াভাবেই আসরে নামতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। প্রিসাইডিং অফিসারদের প্রতি বেশ কয়েকটি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, সমস্ত বুথের প্রিসাইডিং অফিসারদের নিম্নলিখিত বিষয়গুলি পরীক্ষা করে নিশ্চিত করতে হবে:


১. ইভিএম-এর সমস্ত প্রার্থীর বোতাম স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান থাকতে হবে। কোনও প্রার্থীর বোতাম টেপ, আঠা বা অন্য কোনও উপাদান দিয়ে ঢেকে রাখা যাবে না।


২. ব্যালট ইউনিটের কোনও প্রার্থীর বোতামের উপর রং, কালি, সুগন্ধি বা অন্য কোনো রাসায়নিক পদার্থ লাগানো যাবে না, যাতে ভোটের গোপনীয়তা ভঙ্গ হয়।


৩. এধরনের কোনও ঘটনা নজরে এলে প্রিসাইডিং অফিসার অবিলম্বে সেক্টর অফিসার বা রিটার্নিং অফিসারকে জানাবেন।


৪. এই ধরনের সমস্ত ঘটনাকে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে হস্তক্ষেপ বা কারচুপির আওতায় ধরা হবে, যা একটি নির্বাচনী অপরাধ।


৫. এধরনের কোনও ঘটনা ঘটলে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনে পুনঃভোট সহ ফৌজদারি ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবে না।


পশ্চিমবঙ্গে অবাধ ভোট করতে বদ্ধপরিকর জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে কমিশন। এবার ভোটের কাজে যুক্ত আধিকারিকদের হুঁশিয়ারি দিল কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক (সিইও)-এর দপ্তর থেকে জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে যে, নির্বাচনী আধিকারিকরা কোনও নিয়ম ভাঙলে ১৯৫১ সালের ভারতীয় জনপ্রতিনিধি আইন অনুযায়ী জেল অথবা জরিমানা দুটোই হতে পারে।

 


পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে। ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে বাইক র্যা লি ও বাইক চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা, বেআইনি জমায়েত বন্ধ এবং ড্রাই ডে ঘোষণা করা হয়েছে। কোনও পোলিং এজেন্ট আধ ঘণ্টার বেশি বুথের বাইরে থাকলে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে তা জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের শাসকদলের হয়ে প্রচারের অভিযোগে পাঁচ জন বিএলও-কে সাসপেন্ড করেছে কমিশন। তিন জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।