আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মোদির মুখে ফের ঝালমুড়ি প্রসঙ্গ। কৃষ্ণনগরের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জোর গলায় বলে দিলেন, ‘‌তৃণমূলের এবার যাওয়া নিশ্চিত।’‌ তার মুখে ফের উঠে এসেছে ঝালমুড়ি প্রসঙ্গ। মোদির কথায়, ‘‌ঝালমুড়ি খেয়েছি বলে তৃণমূলের ঝাল লেগেছে।’‌ 


মোদি আশাবাদী যে এবার বাংলায় পরিবর্তন নিশ্চিত। মোদির কথায়, ‘‌গত ৫০ বছরে এরকম ভোট বাংলায় হয়নি। শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে সফল নির্বাচন কমিশন।’‌ মোদির কথায়, ‘‌ভয় থেকে মুক্তি পেতে ভোট দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গবাসী।’‌ মোদি আরও বলেন, ‘‌অনেক জেলাতেই তৃণমূলের খাতা খুলবে না। প্রথম দফায় রেকর্ড ভোটদান হচ্ছে।’‌

মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়েও তৃণমূলকে নিশানা করেন মোদি। জনসভা থেকে বলেন, ‘‌তৃণমূল চায় না মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ হোক। তৃণমূল শুধু লুঠ করতে ব্যস্ত।’‌ এরপরই হুঁশিয়ারি দিয়ে মোদি বলেন, ‘‌অত্যাচারীদের বিচার হবে। লুঠের টাকা ফেরাতে হবে।’‌ 

প্রসঙ্গত, প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফার ভোটের আগেও প্রচারে ঝড় তুলেছেন মোদি। কৃষ্ণনগরের সভা থেকে তৃণমূলকে যেমন তুলোধনা করলেন। ফের সুর চড়ালেন পরিবর্তনের পক্ষে। মোদির স্পষ্ট কথা, পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের ঝড় দেখছি। রাজ্যে একটাই আওয়াজ, পাল্টানো দরকার। এখানেই না থেমে তিনি আরও বলেন, ভয়কে জয় করে ভরসার উৎসব দেখছি। শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য কমিশনকে ধন্যবাদ। 

এদিকে, মোদির পাশাপাশি বাংলায় ফের নির্বাচনী প্রচারে আসছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। বাংলায় এবার ২৯৪ আসনে একাই লড়ছে কংগ্রেস। প্রথম দফার তিনটি আসনে প্রচার করে গিয়েছেন রাহুল। তবে দ্বিতীয় দফার আগে কলকাতায় তাঁর জনসভা নিয়ে বিস্তর জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তাঁর সভার অনুমতি পেতে সমস্যা হচ্ছিল। অবশেষে সেই জট কেটেছে।

পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে নেত্রী মিতা চক্রবর্তী বলেছেন, ‘‌রাহুল গান্ধীর সভা বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল হওয়ার কথা থাকলেও অনুমতি পাওয়া যায়নি। অবশেষে ২৫ এপ্রিল শ্রীরামপুর, মেটিয়াব্রুজ এবং কলকাতার শহিদ মিনারে তাঁর সভার অনুমতি পাওয়া গিয়েছে। রাহুল গান্ধীর উপস্থিতি নিঃসন্দেহে এরাজ্যের সমস্ত কংগ্রেস কর্মীকে উজ্জীবিত করে তুলবে।’‌ এদিকে, শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গে প্রচার করতে আসছেন রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট।