আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ জীবনে প্রথমবার ভোট দেবেন বলে বুথে এসেছিলেন। কিন্তু ভোট দেওয়া আর হল কই!‌ 


একদিনে যখন নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন একাধিক বিধিনিষেধ জারি করেছে। ঠিক সেই সময় শিলিগুড়ি বিধানসভায় খোদ বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষের বুথেই একজনের ভোট আরেকজন দিয়ে চলে গেল!‌ এমনই উঠল অভিযোগ।


জানা গিয়েছে, ওই বুথের ভোটার কাজল দাস প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। বুথ নম্বর ২৩৫। সিরিয়াল নম্বর ২৩৫। প্রথমবার ভোট দিতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু বুথে প্রবেশ করতেই ভোট কর্মীরা জানান তাঁর ভোট হয়ে গিয়েছে৷ কিন্তু এই বিষয়ে কোনও প্রকার তথ্য ভোটকর্মীদের কাছে ছিল না। এমনটাই অভিযোগ ওই যুবকের। 

এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ৷ ঘটনাস্থল থেকেই নির্বাচন আধিকারিকদের ফোন করে গোটা বিষয়টি জানিয়ে ওয়েব কাস্টিং চেক করার কথা জানান তিনি।


আবার ভোট না দিয়েই দু’‌দুবার ফিরে আসতে হল এক বৃদ্ধাকে। জানা গিয়েছে, দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত দুর্গাপুর বেনাচিতি হাই স্কুল ১৫ নম্বর ওয়ার্ড যার বুথ নাম্বার ৮৬। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা গীতা অধিকারী ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে এসে জানতে পারেন তাঁর ভোট নাকি হয়ে গেছে। ভোটকেন্দ্র থেকে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। 

এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর দুর্গাপুর পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী কবি দত্ত ভোটকেন্দ্রে পৌঁছন। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেন প্রার্থী কবি দত্ত।


একই অভিযোগ এসেছে, শিলিগুড়ি সংলগ্ন ডাবগ্রাম–ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রেও। সেখানেও ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ এসেছে। জানা গিয়েছে, একটিয়াশাল তিলেশ্বরী অধিকারী উচ্চবিদ্যালয় বুথে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে চরম বিড়ম্বনার শিকার হন এক তরুণী ভোটার। বুথে পৌঁছে তিনি জানতে পারেন, তাঁর ভোট নাকি ইতিমধ্যেই অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছে।


অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ভোটের দুপুরে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল মালদহের চাঁচল। বিধানসভা কেন্দ্রের ২২১ নম্বর ধুমসাডাঙ্গি বুথে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ‘বাইক বাহিনী’ নিয়ে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় বিজেপি প্রার্থী রতন দাসের নির্বাচনী এজেন্ট লক্ষণ পাণ্ডে গুরুতর জখম হয়েছেন বলে অভিযোগ।
আবার উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া বিধানসভা কেন্দ্রের আমতলা ১৯১ নম্বর বুথে ইভিএম মেশিনে কংগ্রেস এবং বিজেপি প্রার্থীর প্রতীকের পাশের বোতাম চুন ঘষে সাদা করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।