আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ভোট মানেই উৎসব। আর সেই উৎসবে এক নতুন ইতিহাসের সাক্ষী হল ধূপগুড়ি। সমাজের মূলধারা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা বৃহন্নলা সম্প্রদায়ের সাতজন প্রতিনিধি এবার প্রথমবার নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন। ধূপগুড়ি পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ২০৪ নম্বর বুথে এই দৃশ্য গণতন্ত্রের এক অনন্য মুহূর্ত তৈরি করেছে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বুথের লাইনে সাধারণ ভোটারদের ভিড়ে আলাদাভাবে নজর কাড়ছিলেন তাঁরা। আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গি আর উজ্জ্বল মুখে ছিল দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষের আনন্দ। ভোট দিয়ে বেরিয়ে আসার পর তাঁদের চোখে–মুখে আবেগ ধরা পড়ে। কারও চোখে জল, তো কারও ঠোঁটে জয়ের হাসি।


এই দলেরই সদস্য লিজা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘‌এতদিন পরিচয়পত্রই বানাইনি। মনে হত এসব আমাদের জন্য নয়। কিন্তু এবার বুঝলাম আমরাও এই দেশের নাগরিক। আমাদেরও অধিকার আছে। প্রথমবার ভোট দিতে পেরে খুব ভাল লাগছে।’‌ 

এদিকে, দুপুর ১টা পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়েছে ৬২.১৮ শতাংশ। দুপুর ১টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরে। প্রায় ৬৫.৭৭ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে মালদহে। ৫৮.৪৫ শতাংশ। 


অন্যদিকে, প্রথম দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে সামশেরগঞ্জ আসনে। সেখানে ভোটের হার ৭১.০৭ শতাংশ। নন্দীগ্রামে ভোট পড়েছে ৬৫.৪৬ শতাংশ। দুপুর ১টা পর্যন্ত বহরমপুরে ভোট পড়েছে ৬১.৬৯ শতাংশ।


এই ভোটদানের হার ২০২৪ লোকসভা ভোটের থেকে অনেকটাই বেশি। 

এদিকে, রাজ্যে প্রথম দফার ভোট চলাকালীন একেবারে অন্য মুডে দেখা গেল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা–মন্ত্রীদের। বেলা যত গড়িয়েছে ততই ঝড়ের বেগে এগিয়েছে ভোটদানের হার। এরপরই আত্মবিশ্বাসের সুর ধরা পড়েছে রাজ্যের শাসক দলের নেতা–মন্ত্রীদের গলায়।