আজকাল ওয়েবডেস্ক: নির্বাচনের আগে দলবদলের ঘটনা খুবই স্বাভাবিক। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোটগ্রহণের দিন বিজেপিতে যোগদান দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর আত্মীয়। বৃহস্পতিবার দলীয় কার্যালয়ে বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের হাত থেকে দলীয় পতাকা নেন রোমিতা বসু। এছাড়াও এদিন বিজেপিতে যোগ দিলেন রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবী রাসবিহারী ঘোষের পরিবার থেকে দেবজয় সারথি ঘোষ। এছাড়াও যোগ দিয়েছে শিক্ষাবিদ ডঃ পার্থসারথি রায় চৌধুরী।
সিপিআইএম পরিবারে বড় হয়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন কেন? আজকাল ডট ইন-এর প্রশ্নের উত্তরে রোমিতা বলেন, “আদর্শ বদলেছে। মার্ক্সিস্ট আদর্শ এখন আর নেই। আমাদের পরিবর্তন চাই। নরেন্দ্র মোদি যেভাবে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। আমি ওই পথেই চলতে চাই।” ভোটের দিনেই যোগদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার আরও আগেই বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কলকাতার বাইরে থাকায় যোগ দিতে একটু দেরি হল। মানুষের জন্য তৃণমূল স্তরে গিয়ে কাজ করতে চাই।”
কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে সকাল ১১টা পর্যন্ত ৪১.১১ শতাংশ ভোট পড়েছে। ভোটদানের হার দেখে খুশি লকেট। তিনি জানিয়েছেন, বিজেপি জিতছে, ক্ষমতায় আসছে, জনগণ আগেই ঠিক করে দিয়েছে। আজকের দিনের জন্য সবাই প্রস্তুত ছিল। বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া সুন্দরভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে আমরা খুব খুশি সাধারণ মানুষ নিজের অধিকার প্রদান করতে পারছে। তিনি আরও জানান, মানুষ এগিয়ে এসেছে। সাধারণ মানুষ ঠিক করে নিয়েছে প্রত্যেকটি তৃণমূল প্রার্থীর মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়েছে। মানুষ বুঝতে পেরেছে এদেরকে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলতে পারে না।
তিনি জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আছেন শহরে। আমাদের কাছে এটি খুব বড় পাওনা। তাঁকে চাণক্য বলা হয়। আমরা খুশি যে, তিনি নিজে এই নির্বাচন সরজমিনে দেখছেন।। গোটা দেশ সাক্ষী রয়েছে মহিলা সংরক্ষণ বিল কংগ্রেস, তৃণমূল সবাই মিলে বন্ধ করে দিয়েছে, আটকে দিয়েছে। এর থেকে বড় লজ্জার কিছু হয় না। এদেরকে কোনও মানুষ এগোতে দেবে না। এখানে আটকে ছিল, এখানেই আটকে থাকবে।
এখানেই থামেননি বিজেপি নেত্রী। লকেট বলেন, “মানুষ এবার বিজেপি আনবে ঠিক করে নিয়েছে। তাঁরা ভোটাধিকার গ্রহণ করবে। ৪৪% ভোট পড়েছে মানে কোনও ঝামেলা ছাড়াই আগে ভোট দিচ্ছেন। মনের ইচ্ছে পরিবর্তন করতে সাধারণ মানুষ এক সেকেন্ড সময় নিচ্ছে। এবারে নির্বাচন যেভাবে স্ট্রং হয়েছে এর জবাব ইভিএমে পাবে। শুধু উত্তরবঙ্গে বিজেপির সুনামি চলছে। তৃণমূল পুলিশের উপর ভরসা করে বিজেপির কর্মীদেরকে মারধর করেছে। পুলিশমহলও বুঝেছে বিজেপি আসছে।”
















