আজকাল ওয়েবডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার-সহ ১৭ জনকে ভোটের কাজে নিযুক্ত করা হবে। এই মর্মে নির্বাচন কমিশন চিঠি দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, হাসপাতালের সুপার, দুজন অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার,  চারজন ফার্মাসিস্ট-সহ মোট ১৭ জনের নামে এই চিঠি এসেছে। 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, হাসপাতালের সুপার-সহ ১৭ জনকে নির্বাচনের কাজে  নিয়ে নেওয়ার ফলে হাসপাতালের পরিষেবা বিঘ্নিত হতে পারে। এমনকি এই ১৭ জনের মধ্যে দুজন চুক্তিভিত্তিক কর্মীও রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী কোনও চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে নির্বাচনের কোনো কাজে নিযুক্ত করা যাবে না। 

কিন্তু হাসপাতালে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, পাঁচ জন ফার্মাসিস্টের মধ্যে চারজনকে ভোটের কাজে নিয়ে নেওয়া হলে অচল হয়ে পড়তে পারে মহকুমা হাসপাতাল।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশনের কাছে হাসপাতাল পরিষেবার মান সুষ্ঠু রাখতে একাধিক আধিকারিককে নির্বাচনের কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য আবেদন করছেন। 

হাসপাতালে সুপার সুভাষচন্দ্র মাহাতো বলেন,"আমার নিজেরও নির্বাচনের কাজের জন্য নাম এসেছে। এলাকার মানুষের হাসপাতালে এসে পরিষেবা পেতে যাতে কোনরকম অসুবিধা না হয় সেই জন্য নির্বাচন কমিশন-এর কাছে নাম বাদ দেওয়ার জন্য আবেদন জানাব। যে দুজন চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীর নাম এসেছে তাঁদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে আবেদন জানিয়েছি।" 

এই ঘটনায় সরব হয়েছে তৃণমূল। তাদের দাবি, 'বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন একযোগে হাসপাতাল পরিষেবা বিঘ্নিত করার জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।' যদিও বিজেপির সাফাই, বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের আওতাধীন এর সঙ্গে বিজেপির কোনো যোগসূত্র নেই।