আজকাল ওয়েবডেস্ক: জোট নিয়ে জট কাটেনি এখনও। আইএসএফ ঈদের আগে আসন তালিকা সমানে আসার পরেই সামনে আসে জোটের জটিলতা। শুক্রবার আইএসএফের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল আলোচনার মাধ্যমে ২৯টি কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।
কিন্তু আইএসএফ কেন্দ্র-তালিকা ঘোষণার পরে দেখা গিয়েছে, বাম্ফ্রন্টের সঙ্গে সমঝোতায় ২৯-সহ মোট যে ৩৩টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা জানিয়েছিল আইএসএফ, তার মধ্যে চারটি আসনে ইতিমধ্যেই প্রার্থী দিয়ে দিয়েছে বামেরা। বীরভূমের মুরারই, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম, পাঁশকুড়া পশ্চিম এবং মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা। সমস্যা এই চার কেন্দ্রে। সোমবার দেখা গেল, এই কেন্দ্র গুলিতেও প্রার্থী নাম ঘোষণা করে দিল নওশাদ সিদ্দিকির দল।
কোন আসনে, কে প্রার্থী আইএসএফ-এর-
পলাশিপাড়া- সামশুর আলি মল্লিক
চাপড়া- জাকির মণ্ডল
বাদুড়িয়া- মহম্মদ কুতুবউদ্দিন
অশোকনগর-তাপস ব্যানার্জি
আমডাঙা- বিশ্বজিত ,মাইতি
হাড়োয়া- পিয়ারুল ইসলাম
কুলপি- আব্দুল মালিক মোল্লা
ক্যানিং পশ্চিম- প্রবীর মণ্ডল
ক্যানিং পূর্ব-আরাবুল ইসলাম
ভাঙড়- নওশাদ সিদ্দিকি
খানাকুল- শেখ সাদ্দাম হোসেন
পাঁশকুড়া পশ্চিম- আবজাল আলি
নন্দীগ্রাম- মহম্মদ সবেমিরাজ খাঁ।
জোটের জট নিয়ে নওশাদকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি এদিন জানান, বৃহত্তর স্বার্থে, তৃণমূল-বিজেপিকে পরাস্ত করতে লড়াই তাঁদের। জোট সুষ্ঠভাবে হওয়ার কারণেই, মঙ্গলবার সময় হাতে রাখছে আইএসএফ। সঙ্গেই তিনি জানান, গত সাত মাস ধরে, একাধিক বার আলিমুদ্দিনে জোটের জন্য বৈঠক বসেছে। কিন্তু তাতেও শেষ মুহূর্তে জট কাটেনি। নওশাদ বলেন, এখনও তিনি আশা রাখছেন বামেদের দিক থেকে, সুষ্ঠ জোটের। জানিয়ে দেন, উত্তর চব্বিশ পরগনার আট আসন নিয়ে, সমঝোতায় আসতে রাজি নয় আইএসএফ। ওই আসনগুলিতে তারা লড়াই করতে বদ্ধ পরিকর।
