আজকাল ওয়েবডেস্ক: এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে রাজ্যের শাসক দল সরব হয়েছে বারে। সোমবারেই সিইও দপ্তরে গিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি। এসবের মাঝেই, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে বিরাট অভিযোগ করেছেন তিনি। 

কী অভিযোগ? তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পোস্ট করে লিখেছেন, 'আমরা যা দেখছি, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বাংলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করার একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা, যা বেড়েই চলেছে, তার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।' ঘটনায় তৃণমূল সাংসদের নিশানায় বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন (ইসিআই)। অভিযোগ, সব জেনে বুঝেও, কার্যত না বোঝার ভান করছে তারা। তিনি লিখেছেন, 'মানুষের এটা জানার অধিকার আছে যে তাদের ভোটের কী হচ্ছে। এটি কোনো ছোটখাটো বিষয় নয় - এটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মূল ভিত্তিকেই নাড়া দেয়।'

?s=46

ঠিক এর পরেই অভিষেক বিরাট অভিযোগ করেছেন। লিখেছেন, 'আমরা বিভিন্ন জেলা থেকে নির্ভরযোগ্য খবর পাচ্ছি যে বিপুল সংখ্যক ফর্ম ৬ (নতুন ভোটার) আবেদনপত্র সন্দেহজনক পদ্ধতিতে জমা দেওয়া হচ্ছে। এগুলো সাধারণ সংযোজন নয়। গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে যে এগুলির মধ্যে এমন অনেকব্যক্তিদের যোগ থাকতে পারে, যাঁদের বাংলার সঙ্গে কোনও প্রকৃত সম্পর্ক নেই—এখানে বসবাসও করেন না, এখানে কাজ করেন না এবং যাঁদের কোনও যোগ নেই এই রাজ্যের কোনও স্বার্থের সঙ্গেই।' 

 

নিজের পোস্টেই বেশকিছু ভিডিও, ছবি যোগ করেছেন অভিষেক। যদিও ওই ভিডিওগুলির সত্যতা যাচাই করেনি আজকাল ডট ইন। তবে, ওই ভিডিওগুলি পোস্ট করে অভিষেক লিখেছেন, 'ভিডিও  উদ্বেগগুলিকেই আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে দেখা যাচ্ছে, এই ধরনের হাজার হাজার ফর্ম প্রস্তুত করে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে।' গোটা প্রক্রিয়াটির উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন উঠছে, তেমনটাই অভিযোগ তৃণমূল সাংসদের। 

সঙ্গেই, ভিন রাজ্যের তুলনা টেনে তিনি লিখেছেন, 'অন্যান্য রাজ্যেও নির্বাচনের সময় আমরা একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখেছি। বাংলাকে সেই পথে যেতে দেওয়া যায় না।' একেবারে শেষে সাধারণের উদ্দেশে অভিষেক লিখেছেন, 'এটি শুধু রাজনীতির বিষয় নয়—এটি আমাদের ভোটের অখণ্ডতা রক্ষার বিষয়। এই ধরনের ‘পরিবর্তন’-ই বিজেপি বাংলার ওপর চাপিয়ে দিতে চাইছে।' 

উল্লেখ্য, সোমবারেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকারে দপ্তরে গিয়েছেন অভিষেক ব্যানার্জি। দপ্তরের বাইরে বিকেল থেকেই তৃণমূল সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।