আজকাল ওয়েবডেস্ক: তৃণমূলের একুশে জুলাই। গত কয়েক দশক ধরেই এই একুশে জুলাই, তার প্রস্তুতি নিয়ে উন্মাদনা তুঙ্গে থাকত সর্বস্তরের নেতা-নেত্রীদের মধ্যে। প্রস্তুতি সভা, জেলা থেকে কাতারে কাতারে লোক আনা। সমস্তকিছুই। তবে এবার? এবার একুশে জুলাই হচ্ছে, কেবল ভাগ হয়ে যাবে ভিড়। কিছু মানুষ থাকবেন গান্ধী মূর্তির পাদদেশে, কিছু মানুষ থাকবেন বিড়লা প্ল্যানেটরিয়ামের সামনে।
তৃণমূলের একাধিক হেভিওয়েট নেতা নেত্রীর সাম্প্রতিক অবস্থানে স্পষ্ট, একুশের কোন মঞ্চে তাঁরা থাকবেন। অনুব্রত-মদন-ঋতব্রত-চন্দ্রিমা-শান্তনু-সন্দীপন, সকলেই মূলত থাকবেন গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। অন্যদিকে যুব সমাজের সুদীপ-কোহিনূররাও তাই। মমতা ব্যানার্জিকে প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে থাকার কথা বলেছেন। মঞ্চেও আসার কথা বলেছেন। অন্যদিকে মমতা-হীন একুশে জুলাই কেমন তাঁদের চোখে, সেকথাও জানিয়েছেন একাধিক নেতা-নেত্রী।
এসবের মাঝে প্রশ্ন, যাঁরা প্রকাশ্যে শিবির বদল করেছেন, তাঁরা ছাড়াও, মমতা-অভিষেকের ডাইনে-বাঁয়ে থাকতেন যাঁরা, সেই নেতা নেত্রীরা কোথায়? একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে তাঁরা থাকবেন? থাকলেও কোন দিকে?
চন্দ্রিমা অভিমানে মমতার হাত ছেড়েছেন। কিন্তু শশী পাঁজা কোথায়? ভোটে হারার পর থেকে, শশীর দেখা নেই কার্যত। ফোন করলে বেজে যায়। জবাব দূর, প্রশ্নই পৌঁছয় না। দেবাংশু সম্প্রতি নিজের গাওয়া গান পোস্ট করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু, 'খেলা হবে' গান গাইবেন আর? দিন কয়েক আগেই আজকাল ডট ইন-কে দেবাংশু জানিয়েছিলেন, তিনি সাময়িক রাজনৈতিক বিরতি নিয়েছেন। কিন্তু সেই বিরতি ২১-এ জুলাইয়ের আগে ভাঙবেন কিনা, তা জানা নেই কারও।
তৃণাঙ্কুরের ফোন সুইচড অফ, এলাকায় দেখা নেই ভোটের হারের পর থেকেই সেভাবে। ফলে একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে তিনি কোন শিবিরে থাকবেন, জানা নেই কারও। লাভলির ফোন বেজের যাচ্ছে, একাধিকবারের যোগাযোগের পরেও। ফলে অন্যান্য বছরে মঞ্চে তাঁকে দেখা গেলেও, এবার কোথায় তিনি? ভোটে হেরে খোঁজ নেই তাঁর আর। অন্যদিকে শ্রেয়া পাণ্ডে সাধন কন্যা, যাঁর হয়ে প্রচারে হাজির হয়েছিলেন অভিষেকও, সেই শ্রেয়া কি এবার কালীঘাট শিবিরের একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে হাজির থাকবেন? হ্যাঁ, না-এ সাফ উত্তর আবার কিছুতেই দিচ্ছেন না তিনি।
















