আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভেঙে খানখান তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মধ্যে অব্যাহত রক্তক্ষরণ। মমতার হাত ছাড়ছেন ছায়া সঙ্গীরা। শেষ সংযোজন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। শনিবার দিনভর তা নিয়ে একপ্রকার হুলস্থুল চলল। অন্যদিকে, ডেডলাইন সোম সন্ধে। তৃণমূলের দুই শিবিরকে, দল নিয়ে দড়ি টানাটানির ইস্যুতে, নথি এবং বক্তব্য জানাতে বলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তার মাঝেই নাম-প্রতীক নিয়ে বড় কথা বলে দিলেন মমতা।
শনিবার বিকেলে লাইভে আসেন মমতা ব্যানার্জি। সেখানে একাধিক প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি বলেন, 'সিম্বলটাতো আমি দিয়েছিলাম, অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান হিসেবে, পার্টির নাম তো আমি দিয়েছিলাম, সই করেছিলাম এবং আপনাদের নামগুলোও আমার অফিস থেকে গিয়েছে সই করা অবস্থায়।'
মমতার কথায়, 'যাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে জিতেছেন, আমার স্বাক্ষর করা প্রতীকে জিতেছেন, তাঁরা বলছেন, ২০২৩ সালের পর থেকে নাকি এই পার্টির কোনও অস্তিত্ব নেই। ২০২৭ সালে অক্টোবরে আবার আমাদের নির্বাচনের কথা। তাহলে ২০২৬ সালে কেন ভোটে দাঁড়ালেন? এই জোড়াফুল চিহ্নটা আমার দেওয়া। দলের নামটাও আমি দিয়েছিলাম, সই করে। দু'মাস হল না, দলের সঙ্গে বেইমানি করলেন। যে দলটা আপনাদের জন্মদাত্রী মা, তার সঙ্গে বেইমানি। আপনারা সরাসরি বিজেপি করছেন এখন। বিজেপি করবেন, আর তৃণমূল বলবেন, এটা তো হতে পারে না। তৃণমূল কংগ্রেসের আর্দশ বিজেপি বিরোধী।'
গোটা বক্তব্য জুড়ে, তিনি কটাক্ষ করেছেন দলের সঙ্গ ছেড়েছেন যাঁরা, তাঁদের প্রতি। 'বেইমান' শব্দ প্রয়োগে, তানা কটাক্ষ করেছেন।
বিরোধী শিবির-বিজেপি আঁতাত মমতার কথায়। বলেন, 'আপনার পক্ষে আছে সরকার, তাকে দিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করিয়ে, কেড়ে নিতে পারেন, যদিও আমরা জানি সিম্বল আপনার পক্ষে যাবে না। কিন্তু ধরে নিলাম, যদি সিম্বল দিয়ে দেয়, তাতে কী যায় আসে। সিম্বল সেটাই হয়, যেটা সাধারণ মানুষ গ্রহণ করে, তৃণমূল কংগ্রেস গ্রহণ করে।'















