আজকাল ওয়েবডেস্ক: দেশের ইতিহাসে প্রথমবার সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শুধু মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নয়, আইনজীবী মমতা ব্যানার্জিকে সামনে থেকে দেখেছেন হুগলিবাসী।
সালটা ছিল ১৯৯৭। জুলাই মাসের ৬ তারিখ। রথযাত্রার দিন। গুপ্তিপাড়ায় রথের সড়কে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের বচসা। অশান্তি এমন পর্যায় পৌঁছয় সামাল দিতে সেদিন পুলিশ গুলি চালায়। গুপ্তিপাড়া লালপুকুর এলাকার বাসিন্দা হলধর মণ্ডল ও বুড়ো বাগ গুলিবিদ্ধ হন। মৃত্যু হয় হলধর মণ্ডলের।
পরদিন সাত তারিখ, তৎকালীন রাজ্যের বিরোধী দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জি গুপ্তিপাড়ায় যান। মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। রথের সড়কে ছোটো সভা করে সোজা চুঁচুড়া আদালতে পৌঁছে যান। খবর ছিল মৃত হলধর মণ্ডলের দেহ পরিবারের হাতে না দিয়ে চুঁচুড়াতেই দাহ করে দেবে পুলিশ।
এর বিরুদ্ধে মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে চুঁচুড়ায় জেলা জজ কোর্টে সওয়াল করেন মমতা ব্যানার্জি।
সেদিন কালো গাউন পরে মমতাকে আদালতে সওয়াল করতে দেখেছিলেন অনেকেই। সেই ঘটনা মনে আছে বর্তমান তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদেরও।
প্রায় তিন দশক পর আবারও এদিন মমতা ব্যানার্জিকে আদালতে সওয়াল করতে দেখা গেল। এখন তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির সামনে সওয়াল করেন মমতা।
যার পরেই তৃণমূল নেতাদের দাবি, ১৯৯৭ সালে একটি পরিবারের হয়ে সওয়াল করেছেন হুগলি জজ কোর্টে।আর ২০২৬ সালে বাংলার সব পরিবারের জন্য সওয়াল করলেন সুপ্রিম কোর্টে।
