পুষ্টিবিদদের মতে, দিনের শুরুটা যদি স্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্ট দিয়ে হয়, তাহলে শরীর ও মন দু’টোই ভাল থাকে। এক্ষেত্রে বহু মানুষের প্রথম পছন্দ ওটস। ফাইবারে ভরপুর ওটস সহজপাচ্য, পেট ভরায় এবং দীর্ঘক্ষণ এনার্জি জোগায়। তবে ওটস মানেই একঘেয়ে ডায়েট নয়, বরং সহজে বানিয়ে নিতে পারেন বেশ কয়েকটি সুস্বাদু ব্রেকফাস্ট।
2
10
সবচেয়ে পরিচিত ও সহজ রেসিপি হল ওটস পোরিজ। দুধ বা জলে ওটস সেদ্ধ করে তার মধ্যে ফল, বাদাম বা কিশমিশ যোগ করলে এটি একটি সম্পূর্ণ পুষ্টিকর খাবারে পরিণত হয়। যাঁরা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাঁদের কাছে এটি খুব জনপ্রিয়।
3
10
ঝাল-নোনতা পছন্দ করলে বানাতে পারেন ওটস চিলা। ওটসের গুঁড়োর সঙ্গে বেসন, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ ও সামান্য মশলা মিশিয়ে এই চিল্লা তৈরি করা হয়। এটি প্রোটিন ও ফাইবারে ভরপুর।
4
10
সাধারণ প্যানকেকের বদলে চাইলে বানাতে পারেন ওটস প্যানকেক। কলা বা আপেল মিশিয়ে এই প্যানকেক শিশুদের কাছেও খুব প্রিয়। এতে তেল কম লাগে, তাই এটি তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর।
5
10
দক্ষিণ ভারতীয় স্বাদের খাবার পছন্দ হলে ওটস ইডলি বা ওটস ডোসা ভাল বিকল্প। এটি হালকা, সহজপাচ্য এবং পেটের জন্য ভাল।
6
10
উত্তর ভারতীয় স্বাদ চাইলে বানাতে পারেন ওটস উপমা বা ওটস পোহা, যেখানে সবজি যোগ করলে পুষ্টিগুণ আরও বাড়ে।
7
10
সময় কম থাকলে সবচেয়ে সহজ সমাধান হল ওটস স্মুদি। দুধ বা দইয়ের সঙ্গে ফল আর ওটস ব্লেন্ড করলেই তৈরি হয়ে যায় এই পানীয়।
8
10
মিষ্টি পছন্দ করলে ওটস দিয়ে বানাতে পারেন মাফিন বা কুকি। চিনি কম দিয়ে গুড় বা মধু ব্যবহার করলে এগুলি স্বাস্থ্যকর ট্রিট হতে পারে।
কেন ওটস রাখবেন ব্রেকফাস্টে? বিশেষজ্ঞদের মতে, ওটস নিয়মিত খেলে হজম ক্ষমতা ভাল থাকে, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা অনুভূত হয়। তাই সকালের খাবারে ওটস রাখলে শরীর পায় প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি।