দীক্ষা ভুঁইয়া: গত মে মাস থেকে জুনের গোড়ার দিক পর্যন্ত চলেছিল কেন্দ্রীয় পোর্টালের মাধ্যমে স্নাতকে ভর্তির প্রক্রিয়া। অভিন্ন পোর্টালের মাধ্যমে রাজ্যের কলেজগুলিতে চলছিল ভর্তি প্রক্রিয়া। প্রথম পর্যায়ের ভর্তি প্রক্রিয়া শেষে কতসংখ্যক পড়ুয়া কলেজে ভর্তি হয়েছেন, সে বিষয়ে বিশদ তথ্য জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানিয়েছেন শুভেচ্ছাবার্তাও। একইসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন কলেজে ভর্তি নেওয়া ছাত্রীসংখ্যা বৃদ্ধির হারের দিকেও।

 

রবিবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে কলেজে ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি তাঁর পোস্টে চলতি শিক্ষাবর্ষে কেন্দ্রীয় ভর্তি পোর্টাল বা ক্যাপের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে ভর্তি হওয়া পড়ুয়াদের অভিনন্দন জানান। লেখেন," আমি এটা জানাতে পেরে আনন্দিত যে, আজ প্রথম পর্যায়ের ভর্তি প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এ বছর প্রথম পর্যায়ে ৩,০৮,৭৯৩ জন পড়ুয়া ভর্তি হয়েছেন। যেখানে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে এই সংখ্যা ছিল ২,৫৭,৪২৯ জন।"

?ref_src=twsrc%5Etfw">July 5, 2026

 

পাশাপাশি, তিনি জানান, "গত শিক্ষাবর্ষের তুলনায় ছাত্রীদের ভর্তি ২৬.৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।" এ ছাড়া, প্রথম পর্যায়ে ভর্তি হতে পারেননি, তাঁদের জন্যও আশার বার্তা দেন। লেখেন, "আগামী ৭ জুলাই থেকে শুরু হবে ক্লাস। তবে আগামী ৭ জুলাই থেকে কলেজে স্নাতকের ক্লাস শুরু হবে। যাঁরা প্রথম পর্যায়ে ভর্তি হতে পারেননি, তাঁদের ৭ জুলাই থেকে শুরু হওয়া দ্বিতীয় পর্যায়ের ভর্তি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানাই। সকল পড়ুয়ার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে জানাই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা।

 

গত ১৮ মে থেকে কেন্দ্রীয় পোর্টালের ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়। শেষ হয় ১ জুন। চলতি বছরে রাজ্যের ৪৬০টি সরকার এবং সরকার পোষিত কলেজ, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে এই পোর্টালের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন জানানোর সুযোগ পাবেন পড়ুয়ারা। আগ্রহীদের https://banglaruchchashiksha.wb.gov.in, https://wbsche.wb.gov.in অথবা https://wbcap.in গিয়ে আবেদন করতেইয়হবে।

 

উচ্চশিক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, এ বছর একজন পড়ুয়া একটি বা একাধিক প্রতিষ্ঠানে সর্বাধিক ২৫টি বিষয়ে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারেন। কোনও আবেদনমূল্য নেই। দেশের যে কোনও রাজ্যের শিক্ষার্থীই আবেদন জানাতে পারবেন। যে কোনও বোর্ড থেকে দ্বাদশের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই আবেদন করা যাবে। স্নাতকে ভর্তির মেধাতালিকা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে 'বেস্ট অফ ফোর' পদ্ধতি মেনে চলা হবে। এতে একাধিক পড়ুয়ার নম্বর এক হলে রয়েছে আরও একটি 'টাইব্রেকার রুল'।