মিল্টন সেন, হুগলি, ১১ফেব্রুয়ারি: দীর্ঘ ৩২ বছর পর অবশেষে অপক্ষার অবসান হল। চন্দননগরের বিধায়কের হাত ধরে চন্দননগরবাসীর তিন দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটলো। উদ্বোধন হলো চন্দননগরে স্টেডিয়াম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন বললেন, দল যদি আবার প্রার্থী করে বাকি থেকে যাওয়া কাজও হবে।
বুধবার সন্ধায় উত্তর চন্দননগর এক নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত রথতলা এলাকায় অবস্থিত স্টেডিয়ামের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হুগলির সাংসদ রচনা ব্যানার্জি, বিধায়ক মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, মেয়র চন্দননগর রাম চক্রবর্তী, ডেপুটি মেয়র মুন্না আগরওয়াল।
বাম আমলে ক্রীড়া মন্ত্রী ছিলেন সুভাষ চক্রবর্তী। তাঁর আমলে চন্দননগরের এই ইনডোর স্টেডিয়ামের কাজ শুরু হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তা আর শেষ হয়নি। দীর্ঘ প্রায় ৩২ বছর টানা ভগ্নদশায় ছিল স্টেডিয়াম। কাজ সমাপ্ত না হওয়ায় চন্দননগরবাসীর বিপুল আক্ষেপ ছিল। তাঁদের আশা ছিল, একটা স্টেডিয়াম হোক। অবশেষে সেই সেই আশা পূর্ণ হল। ভলিবল, ব্যাডমিন্টন, কবাডি, খোখো-র মত ইনডোর খেলার জন্য একটা ভালো জায়গা তৈরী হল।
চন্দননগরে খেলার মাঠ আছে বেশ কয়েকটি। কিন্তু স্টেডিয়াম ছিল না। ছোটো হলেও, একটি স্টেডিয়াম তৈরী হওয়ায় সেই দাবি মিটল বলা যায়। এদিন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন বলেছেন, "প্রায় ৩২ বছর ধরে ভগ্নপ্রায় অবস্থায় ছিল এই স্টেডিয়াম। আমি কথা দিয়েছিলাম জয়ী হলে এই কাজ করব। রচনা ব্যানার্জি সাহায্য করেছেন। তাঁর সাংসদ উন্নয়ন তহবিল থেকে টাকা দিয়েছেন। এই স্টেডিয়াম শহরে খুবই প্রয়োজন ছিল। অবশেষে তা তৈরী হয়ে গিয়েছে। নির্বাচনের পর খেলাধুলে শুরু হবে।"
পাশাপাশি তিনি যোগ করেন, "মে মাসে আবার চতুর্থ বার মুখ্যমন্ত্রী হবেন মমতা ব্যানার্জি। আমাকে যদি দল আবার প্রার্থী করে, তাহলে অবশ্যই বাকি যে কাজ গুলো রয়েছে সেগুলোও হবে।"
ছবি পার্থ রাহা
