আজকাল ওয়েবডেস্ক: মাধ্যমিকে এআই ব্যবহার করে টুকলির চেষ্টা। পূর্ব বর্ধমানে তিন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল। পরীক্ষায় এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) ব্যবহার করে টুকলির চেষ্টার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়াল পূর্ব বর্ধমানে। মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে এআই অ্যাপের মাধ্যমে উত্তর করার সময় ধরা পড়েছে তিন পরীক্ষার্থী। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নিয়ম অনুযায়ী তাদের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।

পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত তিনটি পৃথক পরীক্ষা কেন্দ্রে তিন জন পরীক্ষার্থী মোবাইল-সহ ধরা পড়েছে। গলসির সাঁকো সিএস স্কুলের এক পড়ুয়া গলসির কালীমতি দেবী স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে গিয়ে ধরা পড়ে। বুধবার উচালন হাই স্কুলে সেহারাবাজার সি কে স্কুলের এক পরীক্ষার্থী একইভাবে ধরা পড়ে। এছাড়া কাটোয়া দুর্গাদাসী চৌধুরানি বালিকা বিদ্যালয়ে কাটোয়া কে ডি ইনস্টিটিউটের এক পরীক্ষার্থী মোবাইল-সহ আটক হয়।

জানা গিয়েছে, গলসির ঘটনায় ওই পরীক্ষার্থী প্রশ্নপত্র মোবাইল ফোনে স্ক্যান করে একটি এআই অ্যাপের মাধ্যমে উত্তর সংগ্রহ করছিল এবং তা খাতায় লিখছিল। পরীক্ষকের নজরে বিষয়টি আসতেই তাঁকে আটক করা হয়। পর্ষদের নিয়ম মেনে তার পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।

মাধ্যমিক পরীক্ষার কনভেনার অমিত কুমার ঘোষ বলেন,  মধ্যশিক্ষা পর্ষদের স্পষ্ট নির্দেশিকা অনুযায়ী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন বা কোনও ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট নিয়ে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সেই কারণে প্রতিটি কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের তল্লাশি চালানো হয়। তবুও নজরদারির ফাঁক গলে কয়েকজন পরীক্ষার্থী মোবাইল নিয়ে ভিতরে ঢুকে পড়ে।

ঘটনার পর জেলা শিক্ষা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে নজরদারি আরও কড়া করার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।