আজকাল ওয়েবডেস্ক: শিক্ষাগত যোগ্যতা ইতিহাসে এমএ। চাকরির জন্য পরীক্ষা দিয়েছিলেন উচ্চ প্রাথমিকের টেট। আইনি জটে এতদিন চাকরি আটকে থাকলেও সম্প্রতি আদালত নির্দেশ দিয়েছে নিয়োগ শুরু করতে। ফলে, রোজগারের জন্য তাঁর জুতো সেলাই করাই ভরসা। হিঙ্গলগঞ্জের সুভাষচন্দ্র দাশ এভাবেই রোজগার করছেন নিজের এবং তাঁর পরিবারের জন্য।
হতদরিদ্র গরীব পরিবারের সুভাষ ছেলেবেলা থেকেই নিজের পায়ে দাঁড়াতে নিরন্তর সংগ্রাম করে চলেছেন। এর মাঝেই চালিয়ে গিয়েছেন নিজের লেখাপড়া। স্কুলের পড়া শেষ করে উচ্চশিক্ষার জন্য অর্থ জোগাড়ে দিনের পর দিন ট্রেনে জুতো সেলাই করেছেন সুভাষ। চোখে দিন বদলের স্বপ্ন। একটু ভালো ভাবে বাঁচা। এই স্বপ্ন নিয়েই টেট পরীক্ষায় বসেছিলেন তিনি।
কিন্তু আইনি জটে আটকে যায় সুভাষ-সহ বাকিদের নিয়োগ। কবে ফিরবে দিন? কবে জুতো সেলাইয়ের যন্ত্র ছেড়ে সুভাষ হাতে তুলে নিতে পারবেন চক ও ডাস্টার? অনাগত সেই দিনের দিকে তাকিয়ে সুভাষ-সহ তাঁর গোটা পরিবার।
















