আজকাল ওয়েবডেস্ক: মমতার হাত থেকে তৃণমূল ছিনিয়ে নেওয়ার তোড়জোড়। তৃণমূল এখন ভেঙে, টিম কালীঘাট, টিম ঋতব্রত। আসল তৃণমূল কার? দল, প্রতীক, তহবিল নিয়ে দড়ি টানাটানির মাঝে, দু'পক্ষই গিয়েছে কমিশনে। কমিশন দু'পক্ষকেই ডেডলাইন দিয়েছিল সোমবারেই। নিজেদের দাবির প্রেক্ষিতে নথি জমা দেওয়ার জন্য। ৬ জুলাই, সোমবার বিকেলের মধ্যে দু'পক্ষকেই নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কালীঘাট শিবিরের পক্ষ থেকে কল্যাণ-মহুয়া-সাগরিকা নথি জমা দিয়ে আসে কমিশনের আগে। কিন্তু ঋতব্রত শিবির? প্রথমে নির্দিষ্ট সময়ে নথি জমা দেওয়ার কথা বললেও, পরে জানা যায়, টিম ঋতব্রত নথি জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চায় কমিশনের কাছে।
নির্বাচন কমিশন দাবির প্রেক্ষিতে, অতিরিক্ত সময় দেয় ঋতব্রত শিবিরকে। সেই মতো, ডেডলাইন ১০ জুলাই। অন্যদিকে, ১০ জুলাই, নথি জমা দেওয়ার দিনেই, জাতীয় কর্ম সমিতির বৈঠক ডেকেছে ঋতব্রত শিবির। এর আগে, ২২ জুন অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যানারে 'স্পেশাল-সেশন' করার পর, কমিশনকে চিঠি দিয়ে তারা সাক্ষাতের আর্জি জানায়। কমিশন সেই আর্জিতে সাড়া দিয়ে, দশ প্রতিনিধিকে ডাকে দিল্লিতে। ২ জুলাই দিল্লিতে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেছে টিম ঋতব্রত। ফের বৈঠক আগামিকাল।
শুক্রবার বিকেল ৫টায় হবে জাতীয় কর্ম সমিতির ৩০ জন সদস্যদের নিয়ে বৈঠক। শুক্রতেই শেষ নয়, সূত্রের খবর, আগামিকালের বৈঠকের পর, শনিবার জাতীয় কর্মসমিতির পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন বা প্লেনারি সেশন হবে দুপুর ৩ টে থেকে ৭টা পর্যন্ত। সূত্রের খবর, সমস্ত সাংগঠনিক জেলাগুলি নিয়ে বৈঠক করবে ঋতব্রত শিবির।















