আজকাল ওয়েবডেস্ক: সম্প্রতি দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দিল্লি ক্যাপিটালস বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচকে কেন্দ্র করে টিকিট জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে।

দিল্লি অ্যান্ড ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসেসিয়েশনের ডিরেক্টর আনন্দ ভার্মা এই অভিযোগ তুলে জানিয়েছেন, বৈধ টিকিট থাকা সত্ত্বেও অনেক দর্শক প্রবেশাধিকার পাননি। তাঁর দাবি, তাদের টিকিটের ডুপ্লিকেট ব্যবহার করে আগেই অনেকে স্টেডিয়ামে ঢুকে পড়েছে।

আনন্দ ভার্মা ইতিমধ্যেই জেলার ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি দাবি করেন, হসপিটালিটি বিভাগের বৈধ টিকিট থাকা সত্ত্বেও তাঁকে এবং তাঁর অতিথিদের স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

পরে জানা যায়, তাদের টিকিট আগেই স্ক্যান করে অজ্ঞাতপরিচয় বেশ কয়েকজন ব্যক্তি স্টেডিয়ামে ঢুকে পড়েছেন। এফআইআরে তিনি উল্লেখ করেন, ‘হসপিটালিটি বক্সে যাওয়ার জন্য নির্ধারিত গেটে পৌঁছালে নিরাপত্তারক্ষীরা আমাদের বেআইনিভাবে আটকে দেয় এবং প্রবেশে বাধা দেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘খোঁজ নিয়ে জানতে পেরে আমি বিস্মিত হই যে, আমার কাছে থাকা দুটি কমপ্লিমেন্টারি টিকিট ইতিমধ্যেই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা ব্যবহার করে ফেলেছেন।’

ঘটনার পর ভার্মা ডিডিসিএ-র ফিনান্সিয়াল অফিসার মনন গুপ্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং বিষয়টি জানান। পাশাপাশি, তিনি ডিডিসিএ সভাপতি রোহন জেটলির কাছেও অভিযোগটি করেন।

তবে ভার্মার দাবি, কোনও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তিনি অভিযোগ করেন, ‘এই ধরনের ঘটনা বোর্ডের ভিতরের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ভাঙনের ইঙ্গিত করছে।

তাঁর অভিযোগ, ‘নিরাপত্তাকর্মীদের যোগসাজশে এমন ঘটনা ঘটেছে। যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং সাধারণ মানুষের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করে।’ অভিযোগের জবাবে ডিডিসিএ সচিব অশোক শর্মা ঘটনাটিকে প্রযুক্তিগত সমস্যা বলে দাবি করেছেন।

তিনি বলেন, ‘দিল্লি ক্যাপিটালস আমাদের জানিয়েছে এটি একটি টেকনিক্যাল সমস্যা। অনেক সময় স্ক্যানার বারকোড পড়তে ব্যর্থ হয়।’ উল্লেখ্য, চলতি আইপিএল মরশুমে অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দিল্লি ক্যাপিটালসের আরও পাঁচটি ম্যাচ হওয়ার কথা রয়েছে।