আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোনারপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জির ওপর হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, শাসক হল হত্যাকারী। বিজেপির লজ্জা করা উচিত।

?ref_src=twsrc%5Etfw">May 30, 2026


প্রসঙ্গত, সোনারপুরে অভিষেক ব্যানার্জি পৌঁছতেই শুরু হয় তুলকালাম। মৃত তৃণমূলকর্মী সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে যাওয়ার মাঝপথেই অভিষেককে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ শুরু হয়। মুহূর্তে পরিস্থিতি হয় ধুন্ধুমার। প্রথমে চোর চোর স্লোগান। পরে তাঁকে উদ্দেশ্য করে ঢিল, ডিম, জুতো ছোঁড়া হয়। দেখানো হয় কালো পতাকা।  প্রবল জলরোষের জেরে নিরাপত্তার স্বার্থে অভিষেককে হেটমেট পরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এই সময় ছিঁড়ে যায় অভিষেকের সাদা জামা। 


এরপর অভিষেক বলেন, এখনও একমাস হয়নি। তার মধ্যেই এই অবস্থা। পুলিশকে বারবার বলা সত্ত্বেও এই ধরণের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।  এরপর তিনি মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেন। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন।  সেখানে গিয়ে অভিষেক বলেন, আমাকে মারার চেষ্টা করা হচ্ছে। মেরে দিক আমাকে। আমি এর শেষ দেখে ছাড়ব। একটা পুলিশ নেই। দরজা ভাঙার চেষ্টা চলছে। 


দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে অভিষেকের নির্দেশ এইরকম ঘটনা ঘটলে পুলিশকে হোয়াটসঅ্যাপ করে রাখুন। রেকর্ড থাকবে। আজকের ঘটনা নিয়ে আমি আদালতের দ্বারস্থ হব। 


প্রসঙ্গত,  ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের দেখতে গিয়ে নিজেই আক্রান্ত হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি। বাইকে করে সোনারপুরে ঢোকার মুখে তাঁর গায়ে হাত তোলেন বিক্ষোভকারীরা। এলোপাথাড়ি চড়-ঘুষি মারা হয় মাথায়-ঘাড়ে-গায়ে। ক্রিকেটের হেলমেট মাথায় দিয়ে তৃণমূল সাংসদ তার পরেও এগোতে থাকেন। তখন তাঁর গায়ে ডিম ছোড়া হয়। জুতোও ছোড়া হয়। ছিঁড়ে দেওয়া হয় শার্টের বোতাম। ওই অবস্থায় হেঁটে এগোতে থাকেন তৃণমূল নেতা। বিক্ষোভ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে যায় পুলিশ।


অভিষেক সোনারপুরে যাওয়ার আগেই কোথাও কোথাও মহিলাদের ডিম হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল। কোথাও কালো পতাকা হাতে নিয়ে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিচ্ছিলেন বিজেপির লোকজন। এই বিক্ষোভের মধ্যে চারচাকা গাড়িতে না-গিয়ে বাইক নেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তখনই বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি।

&t=2s