আজকাল ওয়েবডেস্কঃ বউকে ইয়ার্কি-ঠাট্টা একেবারেই না-পসন্দ! শেষমেশ তার জেরেই ভায়রাকে পিটিয়ে খুন করল স্বামী। রোমহর্ষক এই ঘটনাটি ঘটেছে বীরপাড়া থানার বান্দাপানি চা বাগানের নেপালি লাইনে। শনিবার রাতের এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনায় ছড়ায় ওই অঞ্চলে। 

স্থানীয় সূত্রের খবর, মৃত ব্যক্তির নাম বিমল মাহালি। জানা গিয়েছে, বিমল মাঝে মাঝেই বিমান মুন্ডা নামের এক ব্যক্তির স্ত্রীর সঙ্গে মশকরা করতেন। বিমানের স্ত্রী ছিলেন আদতে বিমলেরই শ্যালিকা। কিন্তু স্বামী বিমান বিমলের এই ইয়ার্কি-ঠাট্টা সহ্য করত পারতেন না। এ নিয়ে আগেও বিবাদ হয় দু'জনের মধ্যে। ঝগড়া-অশান্তির কথা অনেকেই জানতেন। তবে শনিবার অশান্তি চরমে ওঠে। 

জানা গিয়েছে, শনিবার ৪০ বছর বয়সী বিমলকে প্রথনে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলেন বিমান। এর পর বাঁশ এবং লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে খুন করেন বিমলকে। শনিবার রাত আটটা নাগাদ ন্দাপানি চা বাগানের নেপালি লাইনে ঘটে এই ঘটনা। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বীরপাড়া থানার পুলিশ। এর পর আটক করা হয় অভিযুক্ত বিমান এবং তার স্ত্রীকে। ঘটনা জেরে চা বাগানে ব্যাপক চাঞ্চল্যের ছড়িয়েছে। 

উল্লেখ্য, গত মাসে সামান্য মোবাইল ফোন নিয়ে বচসার খবর সামনে আসে। বচসার জেরে বর্ধমানের যুবককে খুন করা হয় খাস কলকাতার তপসিয়ায়। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেপুলিশ। অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্তও শুরু করা হয় পুলিশের তরফে।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মৃত যুবকের নাম তারকনাথ সামন্ত। মৃত যুবক বর্ধমানের বাসিন্দা। তপসিয়ায় একটি দোকানে কাজ করতেন তিনি। সেই দোকানের পাশেই অন্য একটি দোকানে কাজ করেন অভিযুক্ত তৌফিক আনসারি। গভীর রাতে মোবাইল নিয়ে দুই যুবকের ঝামেলা হয়। যা তর্কাতর্কি থেকে গড়ায় হাতাহাতিতে। তারই জেরে অভিযুক্ত যুবক তৌফিক আনসারি ওই যুবককে বেধড়ক মারধর করতে থাকে। একাধিক আঘাতের জেরে রক্তাক্ত হন তারকনাথ। রাস্তায় পড়ে যান। অচেতন হয়ে পড়েন তিনি।

 

এই ঘটনা দেখতে পেয়ে পাশেই থাকা একটি আবাসনের নিরাপত্তারক্ষীরা আহতকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু বাঁচানো যায়নি তারকনাথকে। ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে যায় তপসিয়া থানার পুলিশ। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্ত তৌফিককে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। এর পর পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয় তাঁকে।