আজকাল ওয়েবডেস্ক: গ্যাস মজুদ কত? গ্রাহকরা পাচ্ছেন কিনা? কালোবাজারি হচ্ছে নাতো? এসব দেখতেই স্পেশাল ব্রাঞ্চের পুলিশ নিয়ে গ্যাস গোডাউনে অভিযান মহকুমা শাসকের। সুযোগের সদ্ব্যবহার করে কালোবাজারি করলে অথবা দাম বেশি নেওয়া হলে, ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারিও দিলেন।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁচ সরাসরি এসে পড়েছে হেঁসেলে।রান্নার গ্যাস এলপিজির যোগান কমেছে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায়। এই পরিস্থিতিতে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় গ্যাসের যোগান কমেছে।বানিজ্যিক গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে হোটেল রেস্তোরাঁয়।হাসপাতাল আর স্কুলের জন্য শুধু চালু আছে।তাও প্রয়োজনের তুলায় কম।সেই অভাব পূরন করতে গার্হস্থ্য গ্যাসে হাত পড়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। এমনিতে গৃহস্থালির গ্যাসে এখনও সেই ভাবে সঙ্কট দেখা দেয়নি। তবে বুকিং এর সমস্যা রয়েছে। আবার বুকিং করলে এক সপ্তাহ লেগে যাচ্ছে গ্যাস ডেলিভারি পেতে।সমস্যা মোকাবিকায় প্রত্যন্ত গ্রামীন এলাকায় দুটি সিলিন্ডারের বুকিং এর মধ্যে ৪৫ দিনের ব্যবধান করে দেওয়া হয়েছে।শহরে সেটা ২৫ দিন।
গ্রাহকের বাড়িতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তৎপর হয়েছে প্রশাসনও।
শুক্রবার, চুঁচুড়া সদর মহকুমা শাসক অয়ন নাথ চুঁচুড়া ব্যান্ডেল ডানলপের কয়েকটি গ্যাস অফিস ও গোডাউনে অভিযান চালান। সাবধান করে দেন ডিস্ট্রিবিউটারদের।
মহকুমা শাসক বলেন,এখনো পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।বুকিং করার এক সপ্তার মধ্যেই ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে।কোনরকম কাল বাজারির অভিযোগ এখনো পাইনি।পেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে কমার্শিয়াল গ্যাস সরবরাহ অস্বাভাবিক রয়েছে। শুধুমাত্র জরুরি কাজে ব্যবহারের জন্যই তা দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে গ্যাস সঙ্কটে কোপ একাধিক জায়গায়। শ্রীরামপুরের রাধা বল্লভ মন্দির, যেখানে প্রতিদিন ৫০০ জনের বেশি ভোগ রান্না হয়। সেখানে ভোগ তৈরি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। খাবারের মেনুও পরিবর্তন হয়েছে।ভোগে কোনো ভাজা মিলবে না বলে নোটিশও দেওয়া হয়েছে।
কাঠ কয়লার আগুনে ভোগ রান্না করা হচ্ছে। মন্দিরের ভোগ রান্না হয় সাধারনত গ্যাসের আগুনে।বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।তাই ঠাকুরের ভোগে কাটছাঁট করা হয়েছে।শ্রীরামপুরের রাধাবল্লাভ মন্দির প্রাচীন একটি মন্দির। সেই মন্দিরে ভোগ নিতে আসেন ভক্তরা। এছাড়া কোপ পরেছে শহর-শহরতলির রেস্তোরাঁ, ক্যাফেতেও।
