আজকাল ওয়েবডেস্ক: আইনি জটিলতায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। এবার অভিষেকের বিরুদ্ধে শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের হল। উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে সরব ব্যবসায়ী সঞ্জয় সিংহল।

 

গতকাল ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জির বিরুদ্ধে শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হল। শুক্রবার রাতে শিলিগুড়ি পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তথা শহরের এক প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী সঞ্জয় সিংহল এই অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারপর্বে অভিষেক ব্যানার্জি একাধিক উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন। 

 

অভিযোগকারীর দাবি, চারটি নির্দিষ্ট বক্তব্যের উল্লেখ করে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে উদ্দেশ্য করে করা একটি বিতর্কিত মন্তব্যও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সঞ্জয় সিংহলের অভিযোগ, ওই ধরনের বক্তব্য জনমনে বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। সেই কারণেই বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। 

 

প্রসঙ্গত, গত মাসের শেষেও তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জির বিরুদ্ধে কলকাতার ভবানীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। ভবানীপুরেরই এক বাসিন্দা, অর্ণব কান্তি দাস, এই অভিযোগটি দায়ের করেছিলেন।

 

অভিযোগকারী অর্ণব চিঠিতে পুলিশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন, যাতে এই এক্স হ্যান্ডেল পোস্টটিকে খতিয়ে দেখে আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস বা অভিষেক ব্যানার্জির তরফ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

 

এর আগেও বিধাননগর থানায় এক বিজেপি কর্মী মামলা করেছেন অভিষেকের বিরুদ্ধে। নির্বাচনের আগে উস্কানিমূলক মন্তব্য এবং ডিজে বাজানো সংক্রান্ত মন্তব্যের অভিযোগে অভিষেক ব্যানার্জির বিরুদ্ধে বিধাননগর উত্তর সাইবার ক্রাইম থানায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, এই এফআইআর-এ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে করা মন্তব্যও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

 

পুলিশ সূত্রে খবর, বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরের দিন অর্থাৎ ৫ মে বাগুইআটির থানায় অভিষেকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন রাজীব কুমাক নামের ওই ব্যক্তি। নির্বাচন চলাকালীন উস্কানিমূলক বক্তব্য, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ জানানো হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে, পাঁচটি ধারায় এফআইআর দায়ের করেছিল পুলিশ।