আজকাল ওয়েবডেস্ক: ডিমের ভয়। অভিষেক ব্যানার্জিও ডিমের হাত থেকে রেহাই পাননি। আদালতে ডিম যাতে না ছোরা হয়, তার নিশ্চয়তা চেয়েছেন। ডিমের হাত থেকে রেহাই পাননি কুণাল-মহুয়াও। কালীঘাট তৃণমূলের মিছিল থেকে, জেলার তৃণমূল নেতারা, বারেবারে ডিমে আক্রান্ত হয়েছেন। এবার পচা ডিম ছোড়ার ভয়ে বিজেপির অফিসে হাজির হলেন তৃণমূল নেতা।
বিজেপি রাজ্য সভাপতির পা জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন। জানালেন নালিশও।
বাঁশবেড়িয়া পুরসভার প্রাক্তন তৃনমূল কাউন্সিলর কেশব দাস। তাঁর স্ত্রী রীতা দাস কাউন্সিলর ছিলেন, সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন। কেশব দাসের অভিযোগ, বাঁশবেড়িয়ার বিজেপি কর্মি দেবজিৎ মুখার্জি ওরফে রানা তাঁর থেকে দশ লাখ টাকা চেয়েছেন। অভিযোগ, না দিলে পচা ডিম মারা হব্ কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন বিজেপি নেতা।
বিজেপি রাজ্য সভাপতি হুগলিতে যাচ্ছেন শুনে সেই অভিযোগ জানাতেই বিজেপি অফিসে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা। শমীক ভট্টাচার্য কোর কমিটির বৈঠক শেষ করে বেরোতেই তাঁর পা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে শুরু করেন কেশব। রাজ্য সভাপতিকে ঘিরে থাকা বিজেপি নেতারা অকস্মাৎ এই ঘটনার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। সম্বিত ফিরতে কেশবকে সরিয়ে দেন তাঁরা।
পরে তৃনমূল নেতা জানান, তাঁকে পচা ডিম মারা হবে। কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো হবে যদি না দশ লাখ টাকা না দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রের খবর, যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই বিজেপি কর্মী সপ্তগ্রামের বিধায়ক স্বরাজ ঘোষের ঘনিষ্ঠ।
স্বরাজ ঘোষ এই ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, 'তৃণমূল নেতাদের উপর বিশ্বাস নেই। তাও যদি কোনও বিজেপি কর্মী টাকাপয়সা চেয়ে থাকেন, তার যদি কোনও প্রমাণ থাকে, দলগতভাবে নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু যদি অভিযোগ মিথ্যা হয় সেটাও আমরা দেখব। বিষয়টি আমার কাছে এসেছে। আমি তদন্ত করছি। এ নিয়ে জেলা সভাপতির সঙ্গেও আমার কথা হয়েছে।'















