আজকাল ওয়েবডেস্ক: ওড়িশা থেকে পাচার হচ্ছিল বিপুল পরিমাণে গাঁজা। যা নদিয়া জেলার করিমপুরে যাওয়ার সময় রাজ্য সিআইডি-র হাতে ধরা পড়লেন দুই পাচারকারী। হুগলির চন্দননগরে গাঁজা-সমেত একটি ট্রাক বাজেয়াপ্ত করেছে তারা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের কাছে খবর ছিল গাঁজা ভর্তি একটি মালবাহী ট্রাক যাবে নদীয়ার দিল্লি রোড দিয়ে। সেই মত সিআইডি ও চন্দননগর থানার পুলিশ অপেক্ষায় ছিল। রাত তিনটে নাগাদ শ্বেতপুর দিল্লি রোডে পুলিশের নাকাচেকিং দেখে চন্দননগরের দিকে পালাবার চেষ্টা করে ওই গাজা বোঝাই ট্রাকটি। শেষে সেটি কলুপুকুরে ধরা পড়ে।
গাড়ির চালক বিশাল সরকার ও খালাসি সোনারুল খাঁকে আটক করে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করতেই বেরিয়ে আসে গাঁজা পাচারের তথ্য।
গাড়ি ভর্তি মাছের ক্রেটের তলায় বস্তা বন্দি ছিল ১৩২ কেজি গাঁজা! এদের দু'জনকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গাঁজার গাড়ি পুলিশকে দেখে পালানোর সময় পুলিশের গাড়িও সেটিকে ধাওয়া করে। চন্দননগর রেল ওভার ব্রীজ থেকে নেমে কলুপুকুরের কাছে পুলিশ একটি ট্রাক রাস্তায় আড়াআড়ি দাঁড় করিয়ে দেয়। রাস্তা আটকে যাওয়ায় পাশের ইলেকট্রিক পোস্ট ধাক্কা মেরে দাঁড়িয়ে যায় ট্রাকটি।
ধৃত বিশালের বাড়ি মুর্শিদাবারে জলঙ্গীতে, সোনারুলের বাড়ি নদীয়ার হোগলবেরিয়া।
ওড়িশার বালাসোর থেকে গাঁজা নিয়ে নদীয়ার করিমপুর যাচ্ছিল তারা। চন্দননগর পুলিশের ডিসিপি অর্নব বিশ্বাস শুক্রবার চন্দননগর থানায় সাংবাদিক বৈঠক করেন। ছিলেন সিআইডি ও চন্দননগর পুলিশর আধিকারীকরা।
ডিসিপি অর্নব বিশ্বাস বলেন, "খবর ছিল বিপুল গাঁজা পাচার করা হচ্ছে। সেই মত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। ধৃতদের আদালতে পেশ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"















