আজকাল ওয়েবডেস্ক: স্ত্রীকে নির্যাতন করে খুনের চেষ্টা অভিযোগে এক বিজেপির মণ্ডল সভাপতিকে গ্রেপ্তার করল গোপালনগর থানার পুলিশ৷ ধৃত বিজেপি নেতার নাম জয় হালদার ৷ তিনি বনগাঁ উত্তর মণ্ডল ২ এর সভাপতি৷ ধৃতের বাড়ি গোপালনগর থানা এলাকার হালদার পাড়ায় ৷
পুলিশ জানিয়েছে, স্ত্রী মৌসুমী দাস হালদার গত ২২ তারিখে গোপাল নগর থানায় এসে স্বামীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সেই অভিযোগের তদন্ত নেমে সোমবার রাতে জয় হালদারকে তাঁর বাড়ির কাছ থেকে গ্রেফতার করা হয়৷ ধৃততে বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে।
তাঁর বিরুদ্ধে ওটা বধূ নির্য়াতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপি নেতা জয় হালদার। তাঁর দাবি, "পারিবারিক বিবাদের জেরে সব স্বামী স্ত্রীর মধ্যেই গন্ডগোল হয় ৷ আমারও বাড়িতেও গন্ডগোল হয়েছিল। স্ত্রী অভিযোগ করায় তৃণমূলের দলদাস পুলিশ আমি বিজেপি করি বলে আমাকে উৎসাহিত হয়ে গ্রেপ্তার করল৷"
অভিযোগকারিণী মৌসুমী বলেন, "আমাকে অত্যাচার করেছিল, তাই অভিযোগ করেছিলাম। পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে ৷ এটা আমাদের পারিবারিক বিষয় ৷ এ বিষয়ে কিছু বলতে চাইছি না।"
এই বিষয়ে বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিকাশ ঘোষ বলেন, "সব সংসারে গন্ডগোল হয়৷ মণ্ডল সভাপতির স্ত্রীকে তৃণমূলের লোকজন রাগের মুহূর্তে ভুলভাল বুঝিয়ে ভয় দেখিয়ে অভিযোগ করিয়েছিল ৷ দলদাস পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে ৷ এখন ওনার স্ত্রী ভুল বুঝতে পেরেছে। জয় হালদারের স্ত্রী মৌসুমী দেবী অভিযোগ তুলে নিচ্ছেন। আমাদের সঙ্গে ওনার কথা হয়েছে ৷"
বিজেপি নেতা গ্রেপ্তারের বিষয়ে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সহ-সভাপতি প্রসেনজিৎ ঘোষ বলেন, "বিজেপি নেতৃত্ব মহিলাদের সম্মান দিতে জানে না। ওরা নিজের ঘরেই স্ত্রীকে মারধর করে ৷ এটাই ওদের সংস্কৃতি। এরপর ওরা জনগণের জন্য কী করবে। মানুষ ওদের প্রত্যাখ্যান করবে।"
