মিল্টন সেন: কোনও দ্বিমত নেই। সরকারি নির্দেশ মেনে চলতে হবে। আসন্ন ইদ নিয়ে বার্তা তানজিম উলেমায়ে আহলে সংগঠনের। শনিবার সংগঠনের নেতৃত্ব চুঁচুড়া প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দেন, বকরি ঈদে শুধু শুধু গরু নয়। অন্যান্য পশু কুরবানি দেওয়ার প্রথাও রয়েছে। ছাগল, খাসি, ভেড়া ইত্যাদি পশু জবাই করতে হবে। তাও প্রকাশ্যে নয়। সরকারি এই নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে। 

এদিন সংগঠনের তরফে সাধারন সম্পাদক মৌলানা কামরুদ্দিন কামার আলি, পীরজাদা সৈয়দ সামিরুল ইসলাম এবং মুখপাত্র আদনান্দ রাজা জানিয়েছেন, মসজিদে লাউডস্পিকার বাজানো এবং রাস্তায় নামাজ পড়ার বিষয়ে যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে সেটাও মেনে চলা উচিত। কারণ জোরে স্পিকার বাজলে অনেক মানুষের অসুবিধা হয়। ধর্মীয় স্থান কোনও অনুষ্ঠান বাড়ি বা সাংস্কৃতিক কোনও অনুষ্ঠান সেখানেও জোরে স্পিকার বাজানো থেকে বিরত থাকা উচিত।

এক কথায় মানুষের অসুবিধা হয় এমন কোন কাজ করা উচিত নয়। মুসলিমরা সাধারণত মসজিদে নমাজ পড়েন। কলকাতার দু-এক জায়গায় রাস্তায় নমাজ পড়ার কারণ হিসেবে দেখা যায়। এখানে অনেক ব্যবসায়ী বাইরে থেকে আসেন, তাঁরা অনেক সময় কাছাকাছি মসজিদে নমাজ পাঠ করতে চলে যান। হলে জায়গা সংকুলান হয় না সব সময়। রাস্তা আটকে মানুষের অসুবিধা করে নমাজ না পাঠ করাই ভাল।

হুগলি জেলার মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ এবং রাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের উদ্দেশ্যে সংগঠনের পক্ষ থেকে বার্তা দেওয়া হয় কোন পরিস্থিতিতেই নিজের হাতে আইন তুলে নেবেন না। প্রয়োজনে স্থানীয় যারা ইমাম বা মৌলভী রয়েছেন তাদের সঙ্গে কথা বলুন। মৌলানা কামরুদ্দিন আরও বলেছেন, "কোনও রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে পরামর্শ করার দরকার নেই। রাজনৈতিক নেতারা নানা সময়ে মুসলিমদের ব্যবহার করেছে। তাই সরকার যেটা বলছে সেটা মেনে চলাই শ্রেয়। সেটা হতে পারে কুরবানি লাউডস্পিকার বা রাস্তায় নামাজ পাঠ না করে।"