আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজ্যে রেশন বন্টনের দুর্নীতি নিয়ে এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এবং তৃণমূলের দিকে আঙুল তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তরে বসে তিনি বলেন, 'জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের গ্রেপ্তারির পর আমরা মনে করি তিনি সামনে ছিলেন। তাঁর তোলা অর্থ মুখ্যমন্ত্রী এবং শাসকদলের কাছে গেছে। মুখ্যমন্ত্রীর অনুমতি ছাড়া এই হাজার হাজার কোটির দুর্নীতি সম্ভব ছিল না।' দিনভর তল্লাশির পর বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। শুক্রবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁর ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
শুক্রবার সকালে নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে দুর্নীতির অভিযোগে এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জিসহ অন্যান্য তৃণমূল নেতাদের নাম উল্লেখ করে শুভেন্দু লেখেন, এর পর হয়ত মন্ত্রিসভার বৈঠক ও বিধানসভার অধিবেশন জেলের মধ্যে ডাকতে হবে। রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় এর আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বাকিবুর রহমান নামে উত্তর ২৪ পরগণার এক ডিলারকে। তাঁকে জেরা করেই জ্যোতিপ্রিয়র নাম উঠে আসে বলে জানা যায়। এদিন শুভেন্দু বলেন, 'বাকিবুর ছিল সাধারণ একটি 'ইনস্ট্রুমেন্ট'। তার রক্ষাকর্তা ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়।' তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির সঙ্গে আরও অনেকে যুক্ত আছে। শুভেন্দুর দাবি, এই বিরাট কেলেঙ্কারির জন্য মুখ্যমন্ত্রীকেও তদন্তের আওতায় আনা উচিত বলে বিজেপি মনে করে।
শুভেন্দুর এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তৃণমূল। দলের অন্যতম মুখপাত্র সুদীপ রাহা বলেন, 'গ্রেপ্তার করে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না। রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনে ৪২টি আসনের সবকটিই তৃণমূল পাবে। যেভাবে বিজেপি এগোচ্ছে তাতে রাজ্যের মানুষ ধরে ফেলেছেন এটা একটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। সর্বোপরি বাংলার মানুষ কাগজে মুড়ে টাকা নেওয়া একটা ঘুষখোরের থেকে কিছু শুনতে চায় না। বিজেপি দলটা ধ্বসে গেছে। নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠীকোন্দল। তাই সিবিআই, ইডিকে দলদাস হিসেবে কাজে লাগিয়ে বাংলা দখলের ব্যর্থ চেষ্টা করছে।'
শুক্রবার সকালে নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে দুর্নীতির অভিযোগে এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জিসহ অন্যান্য তৃণমূল নেতাদের নাম উল্লেখ করে শুভেন্দু লেখেন, এর পর হয়ত মন্ত্রিসভার বৈঠক ও বিধানসভার অধিবেশন জেলের মধ্যে ডাকতে হবে। রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় এর আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বাকিবুর রহমান নামে উত্তর ২৪ পরগণার এক ডিলারকে। তাঁকে জেরা করেই জ্যোতিপ্রিয়র নাম উঠে আসে বলে জানা যায়। এদিন শুভেন্দু বলেন, 'বাকিবুর ছিল সাধারণ একটি 'ইনস্ট্রুমেন্ট'। তার রক্ষাকর্তা ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়।' তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির সঙ্গে আরও অনেকে যুক্ত আছে। শুভেন্দুর দাবি, এই বিরাট কেলেঙ্কারির জন্য মুখ্যমন্ত্রীকেও তদন্তের আওতায় আনা উচিত বলে বিজেপি মনে করে।
শুভেন্দুর এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তৃণমূল। দলের অন্যতম মুখপাত্র সুদীপ রাহা বলেন, 'গ্রেপ্তার করে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না। রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনে ৪২টি আসনের সবকটিই তৃণমূল পাবে। যেভাবে বিজেপি এগোচ্ছে তাতে রাজ্যের মানুষ ধরে ফেলেছেন এটা একটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। সর্বোপরি বাংলার মানুষ কাগজে মুড়ে টাকা নেওয়া একটা ঘুষখোরের থেকে কিছু শুনতে চায় না। বিজেপি দলটা ধ্বসে গেছে। নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠীকোন্দল। তাই সিবিআই, ইডিকে দলদাস হিসেবে কাজে লাগিয়ে বাংলা দখলের ব্যর্থ চেষ্টা করছে।'














