খুব আফসোসে ভুগছেন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তিনি মুম্বইয়ে। কলকাতা উস্তাদ রাশিদ খানকে শেষবিদায় জানাল। তিনি শেষ দেখা দেখতে পেলেন না। সেই মনখারাপ নিয়েই তিনি আজকাল ডট ইনের মুখোমুখি। জানালেন, অনেক বছর আগে বাসে তাঁদের আলাপ। উস্তাদজি মুম্বই থেকে গান গেয়ে ফিরছিলেন। বাবুল কলকাতা থেকে মুম্বই যাচ্ছিলেন। তারপর আরও অনেক বার তাঁদের দেখা হয়েছে। কথা হয়েছে। সেই স্মৃতি উজার করলেন ভারী গলায়, ‘‘ভীষণ মাটির মানুষ। অতিথিবৎসল। খেতে ভালবাসতেন। সবাইকে খাওয়াতেও। দুর্দান্ত বিরিয়ানি রাঁধতেন। ওঁর বাড়িতে অনেক সময়েই রাতের দিকে রিহার্সালে গিয়েছি। রাত করে আসব শুনলেই বলে দিতেন, রাতে আসছ। খাওয়াদাওয়া করে যাবে।’’
কালের নিয়মে সবাইকে চলে যেতে হবে। কিন্ত অকালে চলে যাওয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি। অসংখ্য শিক্ষার্থী, সঙ্গীত দুনিয়া অনাথ হয় গেল। প্রয়াত শিল্পীর আরও অনেক কিছু দেওয়ার ছিল বলে মনে করেন বাবুল। আরও জানান, এই মুহূর্তে তিনিই ছিলেন ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের একমাত্র ধারক-বাহক। এই অভাব চট করে পূরণ হওয়ার নয়। সেই জন্যই তাঁর প্রয়াণে এত হাহাকার। সঙ্গীত দুনিয়া কতটা ব্যবহার করতে পেরেছে রাশিদজিকে? জবাবে মন্ত্রীর অকপট স্বীকার, ‘‘‘যব উই মেট’-এর ‘আওগে যব তুম সজনা’র জনপ্রিয়তা দেখে মনে হয়েছে, বলিউড ওঁকে আরও বেশি ব্যবহার করতে পারত। বিশেষ করে এই ধরনের গান ওঁর জন্য আরও কয়েকটা তৈরি করা যেতেই পারত।’’
হাসপাতালে ভর্তির পাঁচ দিন আগে মন্ত্রীর সঙ্গে শেষ কথা শিল্পীর। বাবুলের বক্তব্য, ‘‘সে দিন প্রায় মিনিট ১৫ কথা হয়েছিল আমাদের। এবং আশ্চর্যজনক ভাবে রাজনীতি নিয়ে সেদিন আড্ডা দিয়েছিলাম আমরা। দেশের রাজনীতি। রাজ্য রাজনীতি। এই বিষয় নিয়ে এর আগে কখনও আমাদের কথা হয়নি।’’ শিল্পী কি কোনও ভাবে রাজনীতিতে যোগদানে আগ্রহী হয়েছিলেন? বাবুলের দাবি, একেবারেই না। শুধুই পারস্পরিক মতবিনিময় হয়েছিল।
কালের নিয়মে সবাইকে চলে যেতে হবে। কিন্ত অকালে চলে যাওয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি। অসংখ্য শিক্ষার্থী, সঙ্গীত দুনিয়া অনাথ হয় গেল। প্রয়াত শিল্পীর আরও অনেক কিছু দেওয়ার ছিল বলে মনে করেন বাবুল। আরও জানান, এই মুহূর্তে তিনিই ছিলেন ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের একমাত্র ধারক-বাহক। এই অভাব চট করে পূরণ হওয়ার নয়। সেই জন্যই তাঁর প্রয়াণে এত হাহাকার। সঙ্গীত দুনিয়া কতটা ব্যবহার করতে পেরেছে রাশিদজিকে? জবাবে মন্ত্রীর অকপট স্বীকার, ‘‘‘যব উই মেট’-এর ‘আওগে যব তুম সজনা’র জনপ্রিয়তা দেখে মনে হয়েছে, বলিউড ওঁকে আরও বেশি ব্যবহার করতে পারত। বিশেষ করে এই ধরনের গান ওঁর জন্য আরও কয়েকটা তৈরি করা যেতেই পারত।’’
হাসপাতালে ভর্তির পাঁচ দিন আগে মন্ত্রীর সঙ্গে শেষ কথা শিল্পীর। বাবুলের বক্তব্য, ‘‘সে দিন প্রায় মিনিট ১৫ কথা হয়েছিল আমাদের। এবং আশ্চর্যজনক ভাবে রাজনীতি নিয়ে সেদিন আড্ডা দিয়েছিলাম আমরা। দেশের রাজনীতি। রাজ্য রাজনীতি। এই বিষয় নিয়ে এর আগে কখনও আমাদের কথা হয়নি।’’ শিল্পী কি কোনও ভাবে রাজনীতিতে যোগদানে আগ্রহী হয়েছিলেন? বাবুলের দাবি, একেবারেই না। শুধুই পারস্পরিক মতবিনিময় হয়েছিল।
















