শাশ্বত রায়: ফেসবুকের দরজা জানলা খুললেই কত নিউ ইয়ার রেজলিউশন! কিছু মনের জন্য। কিছু রেজলিউশন আবার শরীরের জন্যেও। এই ধরুন, নতুন বছরে, নতুন আমি! ওজন কমাবো বা বাড়াবো, আর সেই ইচ্ছা মনে নিয়ে আমি হাঁটলাম ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মেঠো পথে আর দেখতে শুরু করলাম ডায়েট সংক্রান্ত পোস্ট।
আমার PhD শেষ হয়েছে এই কয়েক মাস হল। বিষয় ছিল - সোশ্যাল মিডিয়া কি ঠিক করে দেবে আমরা কি খাব, কোথায় খাব আর কতটা খাব? রিসার্চের সময় বেশ কিছু মজার বিষয় চোখে পড়ল। নতুন বছরে সে সব প্রকাশ্যে আনতেই আজকাল ডট ইন এর জন্য কলম ধরলাম। সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের অনেক ভাবে ইনফ্লুয়েন্স করে। আমরা কী খাব, কেন খাব, কখন খাব, কোথায় খাব সেই সব ব্যাপারেই। আর যে যে ভাবে আমাদের ইনফ্লুয়েন্স করে তার মধ্যে অন্যতম হল - খাবার সংক্রান্ত তথ্য যা আমরা সোশ্যাল মিডিয়াতে রোজ দেখি, পড়ি। এই ধরুন একটা দারুন ছবির সঙ্গে কেউ একজন লিখলেন - একমাস এই পাঁচটি খাবার নিয়মিত খেলে আপনার পাঁচ কেজি ওজন কমবে নিশ্চিত। বিষয়টা আপনাকে অনুপ্রাণিত করল। আপনিও আনমনে বা কিছুটা সচেতন হয়েই ভাবলেন, এই তো এরা বলছে, নিশ্চয় মিথ্যে নয়। আমিও খাই এই ডায়েট মেনে। আর মানতে গিয়েই দুর্বিপাকে পড়লেন আপনি। একটু অন্য রাস্তায় গিয়ে এরিক কোয়ালমান এর কথা বলি! তিনি একজন আমেরিকান লেখক। যার কথা বঙ্গানুবাদ করলে দাঁড়ায় - "আজকাল আমরা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করব কী করব না, সে প্রশ্ন আর নেই। কথা হল, কত ভাল ভাবে (যোগ্য ভাবে) আমরা তার ব্যবহার করব। "
এই যে খাবারের ব্যাপারে আমরা এত তথ্য রোজ পড়ছি, তার সত্যি মিথ্যে যাচাই করার দায়িত্ব কিন্তু আমাদের। সোশ্যাল মিডিয়ার নয়। আমাদের সবার শরীর আলাদা। সেক্ষেত্রে আমাদের ভাল থাকার রেসিপিগুলোও ভিন্ন। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পাওয়া ওজন কমানোর টিপসগুলো কতটা যথার্থ আপনার শরীরের জন্য? হয়তো কেউ ডায়াবেটিক, বা প্রি-ডায়াবেটিক সেক্ষেত্রে এই তথ্য গুলো কি উপযুক্ত? কারও কোলেস্টেরল বেশি, থাইরয়েড কম, তাহলে কী সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পাওয়া ডায়েট মেনে ওজন কমবে? কমলেও, অন্য বিপদ নেই তো? সেটা ভাবার দায়িত্ব কিন্তু আমাদের। যারা লিখছে তারা কি প্রকৃত নিউট্রিশনিস্ট, ডায়েটিশিয়ান ? এই প্রশ্নগুলো নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ভাল ভাবে বুঝে নিন খুঁটিনাটি।
আমার PhD শেষ হয়েছে এই কয়েক মাস হল। বিষয় ছিল - সোশ্যাল মিডিয়া কি ঠিক করে দেবে আমরা কি খাব, কোথায় খাব আর কতটা খাব? রিসার্চের সময় বেশ কিছু মজার বিষয় চোখে পড়ল। নতুন বছরে সে সব প্রকাশ্যে আনতেই আজকাল ডট ইন এর জন্য কলম ধরলাম। সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের অনেক ভাবে ইনফ্লুয়েন্স করে। আমরা কী খাব, কেন খাব, কখন খাব, কোথায় খাব সেই সব ব্যাপারেই। আর যে যে ভাবে আমাদের ইনফ্লুয়েন্স করে তার মধ্যে অন্যতম হল - খাবার সংক্রান্ত তথ্য যা আমরা সোশ্যাল মিডিয়াতে রোজ দেখি, পড়ি। এই ধরুন একটা দারুন ছবির সঙ্গে কেউ একজন লিখলেন - একমাস এই পাঁচটি খাবার নিয়মিত খেলে আপনার পাঁচ কেজি ওজন কমবে নিশ্চিত। বিষয়টা আপনাকে অনুপ্রাণিত করল। আপনিও আনমনে বা কিছুটা সচেতন হয়েই ভাবলেন, এই তো এরা বলছে, নিশ্চয় মিথ্যে নয়। আমিও খাই এই ডায়েট মেনে। আর মানতে গিয়েই দুর্বিপাকে পড়লেন আপনি। একটু অন্য রাস্তায় গিয়ে এরিক কোয়ালমান এর কথা বলি! তিনি একজন আমেরিকান লেখক। যার কথা বঙ্গানুবাদ করলে দাঁড়ায় - "আজকাল আমরা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করব কী করব না, সে প্রশ্ন আর নেই। কথা হল, কত ভাল ভাবে (যোগ্য ভাবে) আমরা তার ব্যবহার করব। "
এই যে খাবারের ব্যাপারে আমরা এত তথ্য রোজ পড়ছি, তার সত্যি মিথ্যে যাচাই করার দায়িত্ব কিন্তু আমাদের। সোশ্যাল মিডিয়ার নয়। আমাদের সবার শরীর আলাদা। সেক্ষেত্রে আমাদের ভাল থাকার রেসিপিগুলোও ভিন্ন। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পাওয়া ওজন কমানোর টিপসগুলো কতটা যথার্থ আপনার শরীরের জন্য? হয়তো কেউ ডায়াবেটিক, বা প্রি-ডায়াবেটিক সেক্ষেত্রে এই তথ্য গুলো কি উপযুক্ত? কারও কোলেস্টেরল বেশি, থাইরয়েড কম, তাহলে কী সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পাওয়া ডায়েট মেনে ওজন কমবে? কমলেও, অন্য বিপদ নেই তো? সেটা ভাবার দায়িত্ব কিন্তু আমাদের। যারা লিখছে তারা কি প্রকৃত নিউট্রিশনিস্ট, ডায়েটিশিয়ান ? এই প্রশ্নগুলো নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ভাল ভাবে বুঝে নিন খুঁটিনাটি।
















