আজকাল ওয়েবডেস্ক: ঝাল, টক-মিষ্টি, নোনতা, মশলাদার, কুড়কুড়ে এবং অবশ্যই অপ্রতিরোধ্য — কয়েক দশক ধরে, মুখরোচকের চানাচুরের সর্বব্যাপী লাল এবং কমলা প্যাকেট বাঙালিদের কাছে চায়ের কাপের তর্কে এবং আড্ডার সমার্থক । 'মুখরোচক' চানাচুর সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিটি কলকাতাবাসীর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে। সেই 'মুখরোচক'-এর ৭৫ বছর উদযাপন করার জন্য শনিবার একটি চোখ ধাঁধানো অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন সংস্থার কর্মকর্তারা। পাশাপাশি 'মুখরোচক'-এর ৭৫তম জন্মদিনকে স্মরণীয় করে রাখতে একেবারে আনকোরা নতুন একটি পণ্য বাজারে আনলেন তাঁরা। 'ইনস্ট্যান্ট ভেলপুরি'। হ্যাঁ, এটাই নাম সেই নতুন পণ্যের। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। ছিলেন, শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবং সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন মীর।

কলকাতার উপকণ্ঠে বারুইপুর অঞ্চলে মুখরোচকের সুবিশাল ছয় একর জমির একদিকে যেমন জুড়ে রয়েছে কারখানা। তেমন অন্যদিকে রয়েছে এক বড়সড় প্রেক্ষাগৃহ। বাকি অংশ গেস্ট হাউস এবং বাগানের জন্য বরাদ্দ। এদিনের অনুষ্ঠান হল সেই প্রেক্ষাগৃহের মঞ্চেই। 

মুখরোচকের কর্ণধার প্রণব চন্দ্র জানান, তাঁদের সংস্থার বাকি সব পণ্যের মতোই প্রচুর গবেষণার পাশাপাশি যত্ন করে এই পণ্য তৈরি করেছেন তাঁরা। আরও জানান, হাতে সময়ের অভাবে কিংবা‌‌ নানান পরিস্থিতির জেরে ভেলপুরি বিক্রেতার কাছে গিয়ে ভেল-এর স্বাদ যাঁরা নিতে পারছেন না অথবা সুদূর বিদেশে বসে যে বাঙালির জিভ ও মন হঠাৎ হঠাৎ টক-ঝাল-মিষ্টি কুরমুড়ে ভেলপুরি খাওয়ার জন্য উতলা হয়ে যায়, সেইসব ইচ্ছেপূরণের সমাধান খুঁজতে  এই পণ্য তাঁরা পেশ করলেন।

কোয়েল জানিয়েছেন, ছোট থেকেই মুখোরোচকের চানাচুর তাঁর অত্যন্ত পছন্দের। হাসিমুখে আরও বললেন, "আমার বাবা কমলার প্যাকেট ( টক-ঝাল-মিষ্টি ) পছন্দ করেন, যখন আমি লাল (স্পেশ্যাল পাপড়ি চানাচুর) পছন্দ করি। তাই বাড়িতে সব সময় মুখরোচক থাকে। এবার আবার ভেলপুরি এল। চাখতে হবে, কারণ ভেলপুরি আমার এমনিতেই অন্যতম পছন্দের স্ন্যাক্স।"