তাঁর ভাঙা চোয়াল নিয়ে বোলিং করার লড়াইয়ের কথা কে জানে। সেই ঘটনার এত বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও আজও তা মনে রেখেছেন ক্রিকেট ভক্তরা। জানা যায়, ক্রিকেট মাঠের মতোই ব্যক্তিগত জীবনেও ভালবাসা পেতে লড়াই করতে হয়েছিল অনিল কুম্বলেকে।
2
7
স্ত্রী চেতনা রামতীর্থকে প্রথম দেখাতেই ভাল লেগে গিয়েছিল অনিল কুম্বলের। তবে সেই সময় চেতনা বিবাহিতা ছিলেন। কিন্তু সেই সম্পর্কে তিনি সুখী ছিলেন না। চেতনার একটি মেয়েও ছিল।
3
7
মেয়েকে নিয়ে জীবনযাপন করার জন্য এক ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরি নেন চেতনা। পরবর্তীকালে ১৯৯৮ সালে চেতনা প্রথম পক্ষের স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্তও নেন তিনি। জানা যায়, পুরো সময়টাতে বন্ধুর মতো পাশে ছিলেন কুম্বলে।
4
7
প্রথম পক্ষের স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের সময় আদালতে মামলা হয়। গোটা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর চেতনাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন ভারতীয় লেগ স্পিনার।
5
7
তবে চেতনা বড় ধাক্কা খাওয়ার পর নতুন করে আর সম্পর্কে জড়াতে চাননি সেই সময়ে। সে কারণে তিনি রাজি হননি কুম্বলের প্রস্তাবে। কিন্তু হাল ছাড়েননি কুম্বলে। শেষমেশ চেতনা রাজি হন। তখন তাঁর মেয়ে অরুণীর বয়স চার বছর।
6
7
কিন্তু অরুণীকে কাছে রাখতেও দীর্ঘদিন আদালতের চক্কর কাটতে হয়েছি চেতনাকে। পুরো সময়টাই অনিল কুম্বলে তাঁর পাশে ছিলেন। দীর্ঘদিন লড়াইয়ের পর অবশেষে অরুণীকে পান চেতনা।
7
7
চেতনার প্রথম পক্ষের স্বামী মেয়েকে নিজের কাছে রাখতে চেয়েছিলেন। তিনি বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হন। তখনও কুম্বলে তাঁর পাশে ছিলেন। বর্তমানে দম্পতির কুম্বলের দুই সন্তান। এক মেয়ে ও এক ছেলে। অরুণীকেও অরুণীকেও নিজের মেয়ের মতোই স্নেহ করেন কুম্বলে।