আজকাল ওয়েবডেস্ক : আমেরিকার প্রবীণতম মহিলা। যার বয়স ১১৫ বছর। এলিজাবেথ ফ্রান্সিসকে দেখে সবাই জীবনের গান করেন। কিন্তু কীভাবে এতগুলি বছর বেঁচে থাকা যায়। নিজেই জানালেন সেই রহস্য।
প্রাণ খুলে যদি কথা বলা যায় আর কোনও চিন্তা যদি মাথায় না থাকে তবে বেঁচে থাকা যায় বহু বছর। এমনটাই জানালেন এলিজাবেথ।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে টাইটানিক সবই তিনি দেখেছেন। আমেরিকার সবথেকে প্রবীণ মহিলা তিনি। বিশ্বে চতুর্থ। তাঁর পরিবার মনে করে এমন একজন তাঁদের সঙ্গে রয়েছে বলে তারা গর্বিত বোধ করেন।
১৯০৯ সালে লুসিয়ানাতে জন্মগ্রহণ করেন এলিজাবেথ। এরপর জীবনের বহু চড়াই উৎরাই পেরিয়েছেন। কারও ওপর ভরসা না করে তিনি নিজের কফির দোকান চালাতেন। সেই করেই তিনি নিজের স্বামীর মৃত্যুর পর নিজের ঘর চালাতেন। কখনও কারও কাছে হাত পাতেন নি।
নিজের মেয়ের সঙ্গে হাসিমুখে তিনি থাকেন। তাঁর মেয়ের বয়স ৬৯ বছর। তাঁর সন্তানরা এলিজাবেথকে নিয়েই সময় কাটিয়ে দেন। মার্কিন সরকার তাঁকে বিশেষ সম্মান দিয়েছেন।
সামনেই ভোট আসছে আমেরিকায়। ফের একবার নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে চান এলিজাবেথ। তাঁর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সকলেই।
প্রাণ খুলে যদি কথা বলা যায় আর কোনও চিন্তা যদি মাথায় না থাকে তবে বেঁচে থাকা যায় বহু বছর। এমনটাই জানালেন এলিজাবেথ।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে টাইটানিক সবই তিনি দেখেছেন। আমেরিকার সবথেকে প্রবীণ মহিলা তিনি। বিশ্বে চতুর্থ। তাঁর পরিবার মনে করে এমন একজন তাঁদের সঙ্গে রয়েছে বলে তারা গর্বিত বোধ করেন।
১৯০৯ সালে লুসিয়ানাতে জন্মগ্রহণ করেন এলিজাবেথ। এরপর জীবনের বহু চড়াই উৎরাই পেরিয়েছেন। কারও ওপর ভরসা না করে তিনি নিজের কফির দোকান চালাতেন। সেই করেই তিনি নিজের স্বামীর মৃত্যুর পর নিজের ঘর চালাতেন। কখনও কারও কাছে হাত পাতেন নি।
নিজের মেয়ের সঙ্গে হাসিমুখে তিনি থাকেন। তাঁর মেয়ের বয়স ৬৯ বছর। তাঁর সন্তানরা এলিজাবেথকে নিয়েই সময় কাটিয়ে দেন। মার্কিন সরকার তাঁকে বিশেষ সম্মান দিয়েছেন।
সামনেই ভোট আসছে আমেরিকায়। ফের একবার নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে চান এলিজাবেথ। তাঁর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সকলেই।
















