SNU

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

Rekha Patra: বিজেপির প্রার্থীকে শিখিয়ে দিতে হচ্ছে প্রশ্নের উত্তর! নিরাপত্তা নিয়েও কি ধারণা স্পষ্ট রেখার?

Riya Patra | ২৯ মে ২০২৪ ১৭ : ১২


রিয়া পাত্র 
সন্দেশখালিকে একেবারে শুরু থেকেই ‘টার্গেট’ করে এগোচ্ছে গেরুয়া শিবির। গোটা নির্বাচনকাল, প্রচারের শেষলগ্নে এসেও তা একেবারে স্পষ্ট। সন্দেশখালির সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললেই বোঝা যায়, সাধারণের সংগঠিত আন্দোলনের মাঝে ঢুকে পড়ে গেরুয়া শিবির। অভিযোগ, তাতে মাঝখান থেকে ভেঙে যায় আন্দোলনটাই। বিজেপির পরিকল্পনা ছিল, ‘বাংলার মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর জমানায় সন্দেশখালির মা-বোনেদের উপর অত্যাচার’কে ইস্যু করে ভোটের হাওয়া ঘোরানো। আর তাতে তুরুপের তাস হলেন রেখা পাত্র।
কে এই রেখা পাত্র? বিজেপির সঙ্গে যোগ কী? রেখা একবার বলেন, তিনি সাধারণ এবং অত্যাচারিতদের প্রতিনিধি। কখনও বলেন, ছোট থেকে দেখেছেন বাবাকে বিজেপি করতে। আর বিয়ের পর থেকে দেখেছেন তৃণমূলের দুর্নীতি। সেই রেখা কি ভেবেছিলেন আন্দোলনের প্রথমে হাঁটার কারণে তাঁকে প্রার্থী করবে বিজেপি? না ভাবেননি। ভাবার কথাও নয়। ভাবল বিজেপি। মহিলা সেন্টিমেন্ট, ‘পাশের বাড়ির মেয়ে’ ইমেজকে কাজে লাগাতে সন্দেশখালির পাত্র পাড়া থেকে তুলে আনা হল রেখা পাত্রকে। তাতে বিজেপির লাভ হল কতটা, নাকি ভুল হয়ে গেল হিসেবে সেটা স্পষ্ট হবে ৪ তারিখ। তবে রেখা মাঝে মাঝে জ্বালাময়ী কথা বলে উঠলেও, আদতে গোটা নির্বাচনকালে পদে পদে সমস্যায় পড়লেন তিনি, সেটাও স্পষ্ট।
প্রার্থী হিসেবে রেখা পাত্রর নাম ঘোষণা হওয়ার ঠিক ২দিনের মাথায় তাঁর সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় স্পষ্ট হয়েছিল, পাড়ায় আন্দোলনের সঙ্গে লোকসভার নির্বাচনের মাঝে যে দূরত্ব কতটা, সেটাই বুঝতে পারেননি। বসিরহাটের ৭ বিধানসভা সম্পর্কে ধারণাও নেই। সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের কী উত্তর দিতে হবে জানেন না সেটাও। কখনও পাশ থেকে কেউ উত্তর বলে দিলেন। কখনও বন্ধ করতে বলা হল ক্যামেরা। বলে দেওয়া হল, কেবল গুনে গুনে নির্দিষ্ট কিছু প্রশ্ন করতে। ধরে নেওয়া হয়েছিল, একেবারে শুরুর দিকে বলেই এই আড়ষ্টতা। 
মার্চের পর মে মাসেও ছবি কি বদলাল? বেশ কিছু ‘নির্দিষ্ট’ প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন তিনি ঠিকই। তবে ‘বিশেষ’ সংবাদমাধ্যমের নাম শুনে উত্তর দিতেও চান না অনেক সময়। এপ্রিলের শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দেওয়া কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেয়েছেন রেখা। জওয়ানরা তাঁকে ঘিরে রাখেন। কিন্তু কতজন রয়েছেন তাঁর নিরাপত্তায়? রেখা ঠিক জানেন না সেটাও। এই নিরাপত্তা কতদিনের? ভোটের পর কি থাকবে নিরাপত্তা? জানেন না তাও। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা জওয়ান জানালেন, ওয়াই ক্যাটাগরির নিরাপত্তা, দায়িত্বে রয়েছেন ১০ জন। এসবের মাঝেই পাশ থেকে বলে দেওয়া হল একটা উত্তর। প্রশ্ন ছিল ‘আপনার এই নিরাপত্তা কতদিনের জন্য?’ বলতে বলা হল, ‘জনগণই আমার নিরাপত্তা, সরকার দিয়েছে, সরকারের দায়িত্ব। সন্দেশখালির মেয়ে, আমি আন্দোলন করে উঠে এসেছি, নিরাপত্তার জন্য নয়।’ রেখা ঘাড় নাড়লেন। সম্মতিসূচক। অর্থাৎ সেটাই তাঁর বক্তব্য। এগুলি কেবল উদাহরণ। ‘স্পর্শকাতর’ কেন্দ্রের প্রার্থীকে আদতে কি কিছু বলতে দিচ্ছে দল? নির্বাচনী প্রচারের শেষলগ্নে দাঁড়িয়েও প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।




বিশেষ খবর

নানান খবর

Advertise with us

সোশ্যাল মিডিয়া



SNU