আজকাল ওয়েবডেস্ক: উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গে গাঁজা পাচার করতে গিয়ে মঙ্গলবার সকালে মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি থানার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার দুই যুবক। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ৩২২ কেজি গাঁজা। উদ্ধার হওয়া গাঁজার মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারে প্রায় কয়েক কোটি টাকা বলে পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে আরও দাবি, লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর গোটা ভারতবর্ষে একসঙ্গে এত পরিমাণ গাঁজা কোথাও উদ্ধার হয়নি। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গাঁজা পাচারের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম রাজীব আলম (২৭) এবং হালদার মিঞা (৩১)। দু’জনের বাড়ি কোচবিহারে।
গোপন সূত্রে মঙ্গলবার ভোরে সাগরদিঘি থানার পুলিশ খবর পায় কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ থেকে কয়েকজন যুবক একটি গাড়িতে বিপুল পরিমাণ গাঁজা নদিয়া জেলার চাকদায় পাচারের চেষ্টা করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর ধুমারপাহাড় এলাকায় একটি পণ্যবাহী গাড়ি আটক করে। সেই গাড়িতে তল্লাশি চালাতেই বস্তার মধ্যে থরে থরে সাজানো গাঁজা উদ্ধার হয়।
জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার আনন্দ রায় বলেন, ‘ধৃতরা কোথা থেকে এত বিপুল পরিমাণ গাঁজা পেয়েছে এবং কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’ প্রসঙ্গত, গত ২৬ এপ্রিল গুজরাট উপকূলের কাছে ভারতীয় নিরাপত্তারক্ষীরা ৮৬ কেজি নিষিদ্ধ মাদক সহ ১৪ জন পাকিস্তানি নাগরিককে গ্রেপ্তার করে। সূত্রের খবর, আপাতত সেটিই ছিল লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর সবথেকে বড় মাদক উদ্ধারের ঘটনা।
কিন্তু সাগরদিঘিতে মাদক উদ্ধারের ঘটনা সবকিছু ছাপিয়ে গেল। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মাদক নদিয়ার চাকদায় মজুত করার পরিকল্পনা ছিল। তারপর সেখান থেকে আশপাশের অন্যান্য জেলায় ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
গোপন সূত্রে মঙ্গলবার ভোরে সাগরদিঘি থানার পুলিশ খবর পায় কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ থেকে কয়েকজন যুবক একটি গাড়িতে বিপুল পরিমাণ গাঁজা নদিয়া জেলার চাকদায় পাচারের চেষ্টা করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর ধুমারপাহাড় এলাকায় একটি পণ্যবাহী গাড়ি আটক করে। সেই গাড়িতে তল্লাশি চালাতেই বস্তার মধ্যে থরে থরে সাজানো গাঁজা উদ্ধার হয়।
জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার আনন্দ রায় বলেন, ‘ধৃতরা কোথা থেকে এত বিপুল পরিমাণ গাঁজা পেয়েছে এবং কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’ প্রসঙ্গত, গত ২৬ এপ্রিল গুজরাট উপকূলের কাছে ভারতীয় নিরাপত্তারক্ষীরা ৮৬ কেজি নিষিদ্ধ মাদক সহ ১৪ জন পাকিস্তানি নাগরিককে গ্রেপ্তার করে। সূত্রের খবর, আপাতত সেটিই ছিল লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর সবথেকে বড় মাদক উদ্ধারের ঘটনা।
কিন্তু সাগরদিঘিতে মাদক উদ্ধারের ঘটনা সবকিছু ছাপিয়ে গেল। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মাদক নদিয়ার চাকদায় মজুত করার পরিকল্পনা ছিল। তারপর সেখান থেকে আশপাশের অন্যান্য জেলায় ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।















