আজকাল ওয়েবডেস্ক: বাবা ছ'বারের সিপিএম সাংসদ ছিলেন। আবার তাঁর মন্তব্যের জন্য দল বহিষ্কারও করেছিল। যদিও দল বহিষ্কার করলেও, অন্য দলে যোগদান করেননি তিনি আমৃত্যু। বাম আমলের দৌর্দন্ডপ্রতাপ সেই নেতার ছেলে এবার ভোটের মুখে গেরুয়া শিবিরে। ঘটনায় চাঞ্চল্য বঙ্গ রাজনীতিতে। আলোচনার ঝড়, সিপিএম প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য নিয়েও।
অনিল বসুর পুত্র, সৌম্য বসু। বাবা সিপিএম করতেন কেবল, এমনটা নয়, আরামবাগ থেকে সাংসদ হয়েছিলেন টানা। ছেলে নিজেও এসএফআই, ডিওয়াইএফআই করেছেন সক্রিয়ভাবে। আবার ২৬-এর ভোটের মুখে বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নে হাজির তিনি। যেখানে হাজির বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। চুঁচুড়াতে বিজেপির প্রার্থীদের মনোনয়নে তাঁর উপস্থিতি নজর কাড়ে সব মহলের। শুরু হয় রাজনৈতিক চর্চা।
যদিও সম্প্রতি বাম শিবিরে ভাঙন লক্ষণীয়। একদিকে প্রতীক উর রহমান সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলের ঝান্ডা হাতে নিয়ে মিটিং-মিছিল-প্রার্থী সমর্থনে সভা করছেন। অন্যদিকে সিপিএম নেতা ক্ষিতি গোস্বামীর দুই মেয়ে যোগ দিয়েছেন তৃণমূল এবং বিজেপিতে। প্রত্যেকেই নিজেদের কারণ দেখিয়েছেন।
কী বলছেন সৌম্য বসু? সংবাদ মাধ্যমের সামনে তাঁর সাফ বক্তব্য, বাবা সিপিএম নেতা ছিলেন বলেই, ছেলেকেও আজীবন ওই একই দলের আদর্শ মেনে চলতে হবে, তেমনটা মনে করেন না তিনি।
২০০৫ পর্যন্ত সক্রিয় রাজনীতি করেছেন সৌম্য নিজেও। তারপর দীর্ঘ বিরতি একপ্রকার। এবার কেন বিজেপিতে? সংবাদ মাধ্যমে একপ্রকার বিস্ফোরক অনিল পুত্র। বলছেন, জ্যোতি বসু, অনিল বিশ্বাসের সময়ের সিপিএম-এর সঙ্গে, বাংলার বর্তমেন সিপিএম-এর মতাদর্শের দিক থেকে ফারাক অনেক। কিন্তু কেন বিজেপিতে? সৌম্য সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, বিজেপি, গেরুয়াশিবির দেশভক্তের দল। তাই তিনি সেই দলের সমর্থনে।
চুঁচুড়ায় গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীর জয়ের বিষয়েও নিশ্চিত তিনি, জানিয়েছেন সেকথাও।
&t=1800s














