আজকাল ওয়েবডেস্ক: এই গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে জল ও ফল দুটোই খুব উপকারী। না হলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে বাড়বে বিপদ। অনেকেই ভরসা রাখেন ফলের রসে। বাজারে এই সময় ফ্রুট জুসের চাহিদাও বেড়ে যায় খুব। চিকিৎসকরা মনে করেন ফলের রস একেবারেই উপকারী নয়। কেন? ফল থেকেই তৈরি হচ্ছে ফলের রস, তাহলে এটি উপকারী নয় কেন? প্রশ্ন উঠতেই পারে। তাহলে কি বাজার থেকে কেনা ফ্রুট জুসে সোডা বা অন্যান্য প্রিজারভেটিভ থাকে বলেই কি এগুলো বাজে?
নিঃসন্দেহে সেটি একটি কারণ। পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ফলের রসে কোনওরকমের ফাইবার থাকে না। ফাইবার না থাকলে ফলের অর্ধেক পুষ্টিগুণই হারিয়ে যায়। পাশাপাশি ফলের রসে ফাইবার না থাকলে যা পড়ে থাকে তা হল সুগার। এটি যে কোনও মানুষের সুগার লেভেল বাড়িয়ে দিতে পারে। আপনি যদি গোটা ফল খান তাহলে আপনার পেট একটু হলেও ভর্তি মনে হবে। অন্যদিকে জুস খেলে পেট ভরা মনে হবে না আপনার। পাশাপাশি এই ফ্রুট জুস আপনার ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে।
আপনার সন্তানকে খুব ছোটবেলার থেকে ফল খাওয়ানোর অভ্যাস করুন। কারণ ঘনঘন ফ্রুট জুস খেলে ওদের শরীরের ক্ষতি হতে পারে। বাজার থেকে ফ্রুট জুস কেনার আগে দেখে নিন যাতে সেটি কোল্ড প্রেসড হয় । উপকরণে সোডিয়াম ও নুনের পরিমাণও দেখে নিতে ভুলবেন না। এখন বাজারে কোল্ড ফ্রেশ গ্রিন জুস পাওয়া যায়। যেমন জুকিনি, স্পিনাচ কিউকাম্বার - ইত্যাদি। এগুলোতে চিনি ও সোডিয়ামের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কম থাকে।
নিঃসন্দেহে সেটি একটি কারণ। পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ফলের রসে কোনওরকমের ফাইবার থাকে না। ফাইবার না থাকলে ফলের অর্ধেক পুষ্টিগুণই হারিয়ে যায়। পাশাপাশি ফলের রসে ফাইবার না থাকলে যা পড়ে থাকে তা হল সুগার। এটি যে কোনও মানুষের সুগার লেভেল বাড়িয়ে দিতে পারে। আপনি যদি গোটা ফল খান তাহলে আপনার পেট একটু হলেও ভর্তি মনে হবে। অন্যদিকে জুস খেলে পেট ভরা মনে হবে না আপনার। পাশাপাশি এই ফ্রুট জুস আপনার ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে।
আপনার সন্তানকে খুব ছোটবেলার থেকে ফল খাওয়ানোর অভ্যাস করুন। কারণ ঘনঘন ফ্রুট জুস খেলে ওদের শরীরের ক্ষতি হতে পারে। বাজার থেকে ফ্রুট জুস কেনার আগে দেখে নিন যাতে সেটি কোল্ড প্রেসড হয় । উপকরণে সোডিয়াম ও নুনের পরিমাণও দেখে নিতে ভুলবেন না। এখন বাজারে কোল্ড ফ্রেশ গ্রিন জুস পাওয়া যায়। যেমন জুকিনি, স্পিনাচ কিউকাম্বার - ইত্যাদি। এগুলোতে চিনি ও সোডিয়ামের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কম থাকে।
