আজকাল ওয়েবডেস্ক: দু'গোলে পিছিয়ে থেকে ৩-২ এ দুর্ধর্ষ জয়। বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম সেরা কামব্যাক। অবশ্যই কৃতিত্ব প্রাপ্য মেসিদের। কিন্তু খেলা কি শুধু মাঠে হল? নাটকীয় ম্যাচে পেনাল্টি মিস করেন মেসি। মিশরের ন্যায্য গোল বাতিল করে দেয় ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (VAR)। এছাড়াও পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত করা হয় মিশরকে। বক্সের মধ্যে ফাউল করা হয় মহম্মদ সালাহকে। কিন্তু পেনাল্টি দেননি রেফারি। মিশরের প্লেয়ারদের আবেদনে কর্ণপাত করেননি রেফারি। VAR এর সাহায্য নেওয়ার অনুরোধ করেন সালাহ। কিন্তু ন্যূনতম খতিয়ে পর্যন্ত দেখা হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় রেফারিং নিয়ে ঝড় উঠেছে।
ম্যাচ শেষে নিজের হতাশা চেপে রাখতে পারেননি মোস্তফা জিকো। VAR এর সাহায্য নিয়ে তাঁর ন্যায্য গোল বাতিল করা হয়। গোল বাতিল না হলে, ৩-০ গোলে এগিয়ে যেত মিশর। সেক্ষেত্রে ম্যাচের রেজাল্ট কী হত বলা কঠিন। ম্যাচ শেষে রেফারির ওপর ক্ষোভ উগরে দেন জিকো। দাবি করেন, বিশ্বকাপ ফিক্সড। কাপ আর্জেন্টিনাকে দেওয়া হবে। জিকো বলেন, 'রেফারি অন্যায় করেছে। ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভগবান সব দেখেছে। রেফারি একটা দেশের যাবতীয় প্রচেষ্টাকে নষ্ট করে দিচ্ছে। বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনার হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। ওরাই বিশ্বকাপ জিতবে। রেফারি ঠিক করেনি। ভুল করেছে। স্পষ্ট অবিচার। ম্যাচের শুরু থেকে রেফারি আমাদের বিরুদ্ধে ছিল। আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে আমাদের ২-০ গোলে জেতার অধিকার বা অনুমতি নেই। টুর্নামেন্ট ফিক্সড।'
মেসির সমতা ফেরানো গোলের প্রশংসা করলেও, গোটা ম্যাচেই রেফারির সমর্থক পেয়েছে আর্জেন্টিনা। বডি কন্টাক্ট গেমে আর্জেন্টিনার প্লেয়ারদের স্পর্শ করলেই ফাউল দেওয়া হয়। অথচ, সালাহদের ন্যায্য ফাউল দেওয়া হয়নি। একাধিক ফ্রিকিক থেকে বঞ্চিত করা হয়। ম্যাচের সিংহভাগ সময় মনে হয়েছিল, ৩৯ বছরের ম্যাজিশিয়ানের বিদায় মঞ্চ হতে চলেছে। কিন্তু আর্জেন্টিনার পাশাপাশি খেলা বাকি ছিল রেফারির। থুড়ি, ফিফার। মিশরের ন্যায্য গোল বাতিল, পেনাল্টি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত মেসিদের ম্যাচে ফিরতে সাহায্য করে। বাকিটা ইতিহাস।















