আজকাল ওয়েবডেস্ক: বৃহস্পতিবার ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচ দিয়ে শুরু বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল। সেই ম্যাচে রেফারির প্যানেলে সবাই আর্জেন্টিনার। এটা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক। উঠছে প্রশ্ন। কিন্তু এই বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চান না দিদিয়ের দেশঁ। ফ্রান্সের কোচ জানান, তাঁদের প্রতিপক্ষ মরক্কো, ম্যাচ অফিসিয়ালরা নয়। রেফারিদের ওপর ওনার পূর্ণ বিশ্বাস আছে। নেদারল্যান্ডসকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দেওয়ার পর, এবার মরক্কোর টার্গেট ফ্রান্স। গত বিশ্বকাপের রানার্সদের টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে দেওয়ার লক্ষ্য আশরাফ হাকিমিদের। যদিও সেটা খুব সহজ হবে না। কিলিয়ান এমবাপে ছাড়াও রয়েছেন উসমান ডেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে এবং ব্র্যাডলি বারকোলা। চারজনই ভয়ঙ্কর। এখনও পর্যন্ত ১৪টি গোল করেছে ফ্রান্স। যা বাকিদের থেকে বেশি।
বৃহস্পতি রাতে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের পুনরাবৃত্তি দেখবে বিশ্ব? সেদিন মরক্কোকে হারিয়ে ফাইনালে যায় ফ্রান্স। এদিনও সেটা হবে কিনা সময় বলবে। কিন্তু ম্যাচের আগে চর্চার উঠে এসেছে একটি বিষয়। ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে রেফারিদের প্যানেলে সবাই আর্জেন্টিনার। রেফারির ফাকুন্দ টেলো থেকে শুরু করে সহকারী রেফারি, রিজার্ভ অ্যাসিস্ট্যান্ট, এমনকি ফোর্থ অফিসিয়ালও। কিন্তু এটাকে সমস্যা হিসেবে দেখছেন না ফ্রান্সের কোচ। দেশঁ বলেন, 'আমাদের এটার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। আমি রেফারিদের বিশ্বাস করি। আমাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো, রেফারিরা নয়।'
একইসঙ্গে মজার ছলে ফ্রান্সের কোচ বলেন, 'আশা করছি আমাদের রেফারিরা ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ের মতো ভাল হবে।' ফ্রান্সের ব্যাকআপ গোলকিপার রবিন রিসারও রেফারিদের ওপর আস্থা রাখছেন। তিনি বলেন, 'ফ্রান্স এবং আর্জেন্টিনার মধ্যে তিক্ততা খেলার অঙ্গ। আগের বিশ্বকাপের ফাইনালের পর দুই দেশের মধ্যে তিক্ততা তৈরি হয়েছে। এই রেফারিদের রাখা হয়েছে মানে এদের মানও উন্নত।' বিশ্বকাপের শুরু থেকেই রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচে ম্যাচ অফিসিয়ালদের দিকে আঙুল উঠেছে। আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে যা সবকিছু ছাপিয়ে গিয়েছে। ০-২ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ ১১ মিনিটে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করে আর্জেন্টিনা। মাত্র ১৩ মিনিটে ম্যাচের রং বদলে যায়। মোস্তফা জিকোর গোল বাতিল হয়ে যায়। মিশরের কোচ হোসাম হাসান রেফারিদের তুলোধোনা করেন। ফিফাকে লিখিত অভিযোগ জানায় মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।















