রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই) ২০২৩ সালের মে মাসে ২০০০ টাকার নোট বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেয়। ধীরে ধীরে বাজার থেকে সব ২০০০ টাকার নোট তুলে নেওয়া হয়।
2
11
যে সকল সাধারণ মানুষের কাছে এই নোট ছিল শীর্ষ ব্যাঙ্ক সেই নোটগুলি জমা দেওয়ার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ১৯টি ইস্যু অফিসে ২০০০ টাকার নোট বিনিময়ের সুবিধা ছিল।
3
11
এছাড়াও, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের সমস্ত ব্যাঙ্ক শাখায় ২০০০ টাকার নোট জমা এবং/অথবা বিনিময়ের সুবিধা উপলব্ধ ছিল।
4
11
২০২৩ সালের ১৯ মে, যেদিন ২০০০ টাকার নোট প্রত্যাহারের ঘোষণা করা হয়, সেদিন পর্যন্ত বাজারে প্রচলিত ২০০০ টাকার নোটের মোট মূল্য ছিল ৩.৫৬ লক্ষ কোটি টাকা।
5
11
২০২৬ সালের ৩১ মার্চ, পর্যন্ত এই মূল্য হ্রাস পেয়ে ৫,৫০১ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। আরবিআই-এর তথ্য অনুযায়ী, এর ফলে ২০২৩ সালের ১৯ মে পর্যন্ত প্রচলিত ২০০০ টাকার নোটের ৯৮.৪৫ শতাংশ ইতিমধ্যে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
6
11
আরবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, অনেক সাধারণ মানুষ বা ব্যবসায়ীর কাছে এখনও ২০০০ টাকার নোট রয়েছে। তাঁরা কী করবেন ওই নোটগুলি নিয়ে? তাঁদের সুরাহায় এগিয়ে এসেছে আরবিআই।
7
11
আরবিআই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি পোস্টে, এখনও ২০০০ টাকার নোট কাছে রয়েছে এমন নাগরিকদের জন্য নির্দেশাবলী প্রকাশ করেছে।
8
11
আরবিআই জানিয়েছে, ২০০০ টাকার নোট বৈধ মুদ্রা হিসেবে চালু থাকবে। নাগরিকরা ১৯টি আরবিআই ইস্যু অফিসে এই নোটগুলি বিনিময় করতে পারবেন।
9
11
এছাড়াও, নিজেদের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করার জন্য ইন্ডিয়া পোস্টের মাধ্যমে যে কোনও আরবিআইয়ের ইস্যু করা অফিসেও পাঠাতে পারবেন।
10
11
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, আরবিআই ইস্যু অফিসগুলিতে একবারে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নোট বিনিময় করা যাবে।
11
11
আরবিআই আরও জানিয়েছে যে, আয়কর বিধি, ২০২৬-এর ১৫৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী, একটি আর্থিক বছরে মোট ১০,০০,০০০ টাকার বেশি নগদ জমার ক্ষেত্রে প্যান কার্ড নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।