আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিশ্বকাপে পিছিয়ে থেকে আর্জেন্টিনা দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে জিতেছে ৩-২ গোলে। 

মিশরের হারের পরে রেফারিং নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। ম্যাচ শেষে রেফারির একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে মিশর শিবির।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ম্যাচ শেষে মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান ফিফা কর্মকর্তাদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন। 

এ সময় আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি কোনও প্রতিক্রিয়া না জানিয়ে ড্রেসিংরুমের দিকে চলে যান। ভিডিওতে হোসাম হাসানকে স্কালোনির দিকেও ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়।

এদিকে বুধবার এক বিবৃতিতে মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ) জানায়, তারা এই ম্যাচের রেফারিং নিয়ে ‘চুপ থাকতে পারে না’। সংস্থাটির দাবি, ম্যাচ পরিচালনায় পক্ষপাতমূলক ও অন্যায্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা সরাসরি ম্যাচের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে।

ইএফএর বিবৃতিতে বলা হয়, “মিশর জাতীয় দলের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। কোনওভাবেই তা উপেক্ষা করা যাবে না।'' 

?ref_src=twsrc%5Etfw">July 8, 2026

ম্যাচে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা মিশর শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৩ মিনিটের ব্যবধানে টানা তিনটি গোল হজম করে ৩-২ ব্যবধানে হেরে যায়। ম্যাচ শেষে কোচ হোসাম হাসান-সহ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় রেফারির সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেন।

অন্যদিকে ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কোলিনা এক বিবৃতিতে বলেন, “রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা ফুটবলেরই অংশ। তবে ভিত্তিহীন অভিযোগের কোনও স্থান নেই। ফিফা বিশ্বকাপের ম্যাচ অফিশিয়ালদের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলা উচিত নয়। এ ধরনের অভিযোগ তাদের এবং তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে হুমকি তৈরি করতে পারে, যা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ, ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার করা হয়নি।

ইএফএর বক্তব্য অনুযায়ী, ''ম্যাচের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে এবং সেগুলো ম্যাচের গতিপথে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে।”

রেফারিং বিতর্ক ঘিরে দুই পক্ষের অবস্থান স্পষ্ট হলেও বিষয়টি নিয়ে ফুটবলমহলে এখনও চর্চা চলছে।