আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোমবার ভারতীয় ক্রিকেটকে চমকে দেয় চেন্নাই সুপার কিংস। দীর্ঘ বছরের হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের সঙ্গে গাঁটছড়া ভাঙে এমএস ধোনির দল। গত তিন বছর প্লে অফের ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে পারেনি চেন্নাই। যার ফলে দীর্ঘ ১৮ বছরের সম্পর্ক ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয় ফ্র্যাঞ্চাইজি। ২০০৮ সালে আইপিপিএলের উদ্বোধনী বছর প্লেয়ার হিসেবে সিএসকেতে যোগ দেন ফ্লেমিং। তার পরের বছর, অর্থাৎ ২০০৯ সালে হেড কোচের দায়িত্ব নেন। ফ্লেমিংয়ের বিদায়ে একটি অধ্যায়ের শেষ হল। এবার তাঁর পরিবর্ত খুঁজতে নেমে পড়ল চেন্নাই।
নতুন কোচের দৌড়ে এগিয়ে আছেন হেমাঙ্গ বাদানি। একটি সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থার নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমানে সিএসকের শীর্ষকর্তারা ডালাসে। গত কয়েক বছরের পারফরম্যান্স নিয়ে কাঁটাছেঁড়া করার পাশাপাশি, আগামীর পরিকল্পনাও হয়। শোনা যাচ্ছে, পুরো কোচিং স্টাফ বদলে ফেলা হতে পারে। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, এন শ্রীনিবাসনের মেয়ে রূপা গুরুনাথ এবং চেন্নাই সুপার কিংসের ডিরেক্টর এই বিষয়টি দেখছে।
ফ্র্যাঞ্চাইজির একটি বিবৃতিতে ফ্লেমিং বলেন, '১৮ বছর ক্রীড়াজগতে লাইফটাইমের সমান। আমি কৃতজ্ঞতা নিয়ে ছাড়তে চাই। আমার কোচিং জীবনে সেরা সময় চেন্নাই সুপার কিংসে কাটিয়েছি। আমাদের প্রাপ্তি নিয়ে আমি গর্বিত। আমরা একসঙ্গে অনেক অবিস্মরণীয় সময় কাটিয়েছি। কঠিন মুহূর্ত পার করেছি। এমন স্মৃতি তৈরি করেছি, যা চিরকাল থাকবে। সিএসকে চিরকাল আমার হৃদয়ের কাছে থাকবে। আমি আগামীতে দলের জন্য গলা ফাটাব।' চেন্নাইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বচ্ছ এবং খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে দুই পক্ষ। প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর ধোনি, ফ্লেমিং কম্বিনেশনে পাঁচটি আইপিএল জেতে চেন্নাই। দুটো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টি-২০ ও জেতে। মোট ১২ বার আইপিএলের প্লে অফের ছাড়পত্র সংগ্রহ করে। ১০ বার ফাইনালে খেলে।
















