আজকাল ওয়েবডেস্ক: ইমামির সঙ্গে কি ইস্টবেঙ্গলেরা গাঁটছড়া রয়েছে? ময়দানে শোনা যায় ইমামি আর লাল-হলুদের সঙ্গে থাকছে না। আবার দিনকয়েক আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর ছড়িয়েছিল 'আমূল' নতুন ইনভেস্টর হবে। যদিও কলকাতা লিগে ইস্টবেঙ্গল-জর্জ টেলিগ্রাফ ম্যাচের শেষে ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার জানান, সময় এলে ইনভেস্টর নিয়ে মন্তব্য করবেন তিনি।
এদিকে মোহনবাগানের ফ্যান ক্লাব মেরিনার্স এরিনার এক অনুষ্ঠানে গিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে কটাক্ষ করেছেন সবুজ-মেরুন প্রেসিডেন্ট দেবাশিস দত্ত। তিনি বলেন, ''আমাদের বউ পাল্টাতে হয় না। একেক জনের বউ চলে যাচ্ছে। এখন আর বউ খুঁজে পাচ্ছে না।''
ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে প্রথমে কথা বলেছিলেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। কিন্তু পরবর্তীতে মোহনবাগানের দায়িত্ব নেন সঞ্জীববাবু।
সেই প্রসঙ্গ উত্থাপ্পন করে দেবাশিস দত্ত বলেন, ''আমি বলব টুটু বাবুর সেরা রিক্রুট কৃশানু-বিকাশ নয়, সেরা রিক্রুট চিমা নয়। টুটু বাবুর সেরা রিক্রুট সঞ্জীব গোয়েঙ্কা।''
কলকাতার ফুটবলে দলবদল হল অলঙ্কার। অতীতে প্রতিপক্ষ শিবিরে ঘর ভেঙে ফুটবলার আনা হত। ইস্টবেঙ্গলের ঘর ভেঙে মোহনবাগান ফুটবলার নিয়েছে। আবার মোহনবাগান থেকেও ফুটবলার নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল।
এবারও দলবদলের বাজারে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন মোহনবাগান। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গত মরশুমে খেলা মিগুয়েলকে ছিনিয়ে নিয়েছে মোহনবাগান। আইএলএলের 'গোল্ডেন বল' জয়ী ব্রাজিলীয় তারকাকে মোহনবাগানে আনা প্রসঙ্গে ক্লাব সচিব সৃঞ্জয় বোস বলেন, ''একসময়ে ইস্টবেঙ্গল আমাদের থেকে প্লেয়ার নিয়ে চলে যেত। বাবা ইস্টবেঙ্গলের ঘর ভেঙে ফুটবলার নিয়ে এসেছিল। মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, তরুণ দে, কৃশানু-বিকাশ। এবার মিগুয়েলকে আনা হয়েছে। আশা রাখব এই আনন্দের আবহ মরশুমের শেষ পর্যন্ত যেন অব্যাহত থাকে।''
















