আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি–২০ বিশ্বকাপে একেবারেই রানের মধ্যে নেই অভিষেক শর্মা। তিন ম্যাচেই শূন্য রানে আউট হয়েছেন। যদিও অভিষেকের ফর্ম নিয়ে বিশেষ চিন্তিত না হলেও দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দিলেন সূর্যকুমার যাদব। তিনি জানিয়েছেন, দলের জয়ে তিনি সকলের থেকে অবদান চান।
নেদারল্যান্ডসকে হারানোর পর সঞ্চালক রবি শাস্ত্রী প্রশ্ন করেন শুরুর দিকে উইকেট হারানো নিয়ে। বুধবার অভিষেক ফেরার পর ঈশানও বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। সূর্য বলেন, ‘হয়তো পরের ম্যাচগুলোতেও এমন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে। তবে ব্যাটারদের বোঝা দরকার যে কীভাবে দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হয়। আমি আর তিলকও সময় বিশেষে ধরে খেলিনি। জানি যে, পরের দিকে চালিয়ে খেলার ব্যাটার রয়েছে।’
এটা ঘটনা শিবম দুবের ৬৬ রানের ওই ইনিংস না থাকলে চাপ হত ভারতের। সতীর্থকে নিয়ে সূর্য বলেন, ‘বিশাখাপত্তনমে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচেও খুব ভাল খেলেছিল। কিন্তু নেদারল্যান্ডস ম্যাচে যেভাবে দলকে ১৯০–এ নিয়ে গেল তা অসাধারণ।’
সূর্য মনে করেন, বিশ্বকাপে যা যা করার দরকার ছিল প্রায় সবই তাঁরা করে ফেলেছেন। তবু তাঁর মতে, ‘জিতলেও সেই ম্যাচ থেকে অনেক কিছু শেখার থাকে। আজকের ম্যাচ থেকেও আমরা শিখলাম অনেক কিছু।’
প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে ভারতের হাতে বোলারের অভাব নেই। সেই প্রসঙ্গে সূর্য বলেছেন, ‘এই মাথাব্যথা থাকা বেশ ভাল। হাতে অনেক বিকল্প থাকে। যে কোনও দিন, পিচ অনুযায়ী ওরা দলকে সাহায্য করতে পারে। যেভাবে সব এগোচ্ছে তাতে আমি খুশি। প্রায় সব ব্যাটারই অবদান রাখছে। দু’একজনের কাছে দিনটা ভাল যাচ্ছে। কিন্তু আমরা সকলের থেকে অবদান চাই।’
ম্যাচের সেরা ক্রিকেটার শিবম মেনে নিয়েছেন, এই পিচে ব্যাট করা কঠিন ছিল। তাঁর কথায়, ‘এ ধরনের পরিস্থিতিতেই ব্যাট করতে পছন্দ করি। বেশ উপভোগও করেছি। মাঝেসাঝে একটু চাপেও পড়েছি। ওদের অফস্পিনার চারটে ডট বল করেছিল। তবে এটা জানতাম পরের দিকে রান তুলে ফেলতে পারব।’ তিনি আরও জুড়েছেন, ‘আমাকে বড় শট খেলার ব্যাপারে আরও উন্নতি করতে হবে। অধিনায়ক এবং কোচ আমায় বলেছিলেন স্ট্রাইক রেট বেশি রাখতে। শুরুতে সেটা পারিনি। এবার সেটা নিয়ে কাজ করতে হবে।’
