আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন দর্শকরা।
ভারতের দুই কিংবদন্তি অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং রোহিত শর্মা মাঠে নিয়ে এলেন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ট্রফি। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ।
স্টেডিয়ামে দুই ভারতীয় কিংবদন্তির উপস্থিতি গোটা পরিবেশকে আরও বিশেষ করে তোলে। এই মুহূর্তের ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।
এমনকী, আইসিসি এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলেও এই মুহূর্তের ভিডিও আপলোড করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে পাকিস্তানকে ফাইনালে হারিয়ে ভারতকে প্রথমবারের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি।
রোহিত শর্মাও ২০০৭ সালের বিশ্বজয়ী সেই দলের সদস্য ছিলেন। পরে অধিনায়ক হিসেবে ২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতেন হিটম্যান। বার্বাডোজে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ফাইনালে হারায় টিম ইন্ডিয়া।
তারপর অবশ্য আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেন তিনি। এবারের আইসিসি বিশ্বকাপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসডর তিনি। সেমিফাইনালেও তাঁকে ওয়াংখেড়েতে দেখা গিয়েছিল।
সেই ম্যাচে ধোনি ছিলেন গ্যালারিতে। তবে এদিন তাঁকে মাঠে দেখা গেল ট্রফি নিয়ে। দুই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ককে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা স্টেডিয়াম।
আহমেদাবাদে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের টস হয়ে গেল। এদিন টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নিলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার।
ভারতের একাদশ অপরিবর্তিত। সূর্যকুমার যাদব জানালেন, প্রথমে ব্যাট করতে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। বড় রান করে ডিফেন্ড করার ক্ষমতা রয়েছে বোলারদের।
নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার জানালেন, 'প্রথমে বল করে ছোট রানের মধ্যে ভারতীয় ব্যাটিংকে আটকানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।' নিউজিল্যান্ডের একাদশে একটি বদল হয়েছে।
মিচেল স্যান্টনার জানালেন, কোল ম্যাকঙ্কিকে ফাইনালে বসানো হয়েছে। তাঁর জায়গায় খেলানো হচ্ছে জেকব ডাফিকে। এদিন কিউই দলে কোনও অফ-স্পিনার খেলছেন না। শুধুমাত্র গ্লেন ফিলিপস পার্ট টাইম অফ স্পিনার হিসেবে হাত ঘোরাতে পারেন।
বিশ্বমঞ্চে ভারতের বিরুদ্ধে রেকর্ড ভাল কিউয়িদের। পরিসংখ্যান দেখলে চক্ষু চড়কগাছ হবে ভারতীয় সমর্থকদের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে অপরাজিত নিউজিল্যান্ড।
এখনও পর্যন্ত তিনবার মুখোমুখি হয়েছে। তিনবারই জিতেছে কিউয়িরা। যদিও এই পরিসংখ্যান দিয়ে তাঁদের ফাইনালের ফেভারিট বলা যায় না। তবে অতীত রেকর্ডকে সম্ভল করে একটা মরণ কামড় দেওয়ার চেষ্টা করবে ব্ল্যাক ক্যাপসরা।
