আজকাল ওয়েবডেস্ক: চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে অভিষেক শর্মার ফর্ম নিয়ে চর্চা অব্যাহত। তিনটে শূন্য করার পর দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেও ব্যর্থ। একমাত্র জিম্বাবোয়ে ম্যাচে রান পান। ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে ইডেনে ১১ বলে ১০ রানে আউট হন। আগ্রাসী মনোভাবও চোখে পড়েনি। অনিল কুম্বলে মনে করছেন, আত্মবিশ্বাসের অভাব রয়েছে অভিষেকের। সেই কারণেই একের পর এক ফ্লপ। কুম্বলে বলেন, 'ওর মাথা একটু ঘেঁটে আছে। সঙ্গে আত্মবিশ্বাসের অভাব। তবে বাকিরা ওর ওপর থেকে চাপ নিয়ে নিচ্ছে। তাতে এখনও পর্যন্ত ভারত সার্থক। এবার হয়ত নিজেই অবদান রাখার কথা ভাববে।'

অভিষেকের খারাপ ফর্মের ফায়দা তুলছে বাকি দলগুলো। ওর বিরুদ্ধে প্রথম ওভার থেকেই অফ স্পিনারদের আনা হচ্ছে। ইংল্যান্ডের থেকেও একই স্ট্র্যাটেজির প্রত্যাশা করছেন কুম্বলে। তিনি মনে করছেন, পাওয়ার প্লেতে আনা হবে উইল জ্যাকসকে। কুম্বলে বলেন, 'ইংল্যান্ড চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেবে। ওদের জ্যাকস‌ আছে। আমার মনে হয় না হ্যারি ব্রুক জ্যাকস‌কে ব্যবহার করবে না এমন হবে। এর আগে ও পাওয়ার প্লেতে বল করেছে। ও ভাল বল করে।' দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন অধিনায়ক ফাফ ডু'প্লেসি মনে করছেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারত জেতায় সমালোচনা উপেক্ষা করতে পেরেছেন অভিষেক। ডু'প্লেসি বলেন, 'ভারত শেষপর্যন্ত জিতেছে। এটাই গুরুত্বপূর্ণ। কোনও দল জিতলে একজন ক্রিকেটারের খারাপ ফর্ম ধামা চাপা পড়ে যায়। হারলে তাঁকে দায় নিতে হয়। ভারত হারলে, ওর দিকে একাধিক আঙুল উঠত। এবার সেমিফাইনালে ফর্মে ফিরতে পারে কিনা সেটাই দেখার।' 

এর আগেও অভিষেকের ফর্ম নিয়ে সরব হন ইরফান পাঠান এবং মনোজ তিওয়ারি। নিজের মাইন্ডসেট এবং শট বাছাই নিয়ে সতর্ক হওয়ার কথা বলেন ভারতের প্রাক্তনী। মনোজ বলেন, 'নিজের উইকেটকে গুরুত্ব না দিলে, তাহলে এই ধরনের শট খেলবে। অল্প সময়ের মধ্যে তারকা হয়ে গিয়েছে। তবে সুপারস্টার হতে গেলে ভারতকে ম্যাচ জেতাতে হবে। দলে তুমুল প্রতিযোগিতা। প্রচুর ম্যাচ উইনার। ওকে সবার আগে থাকতে হবে। এখন ওর জন্য সেরা সুযোগ। আগের ম্যাচে দুটো ক্যাচ ফেলেছে। ওকে মাইন্ডসেট বদলাতে হবে। কোন বলে মারবে আর কোন বলে মারবে না সেটা ওকে ঠিক করতে হবে।' অভিষেকের ব্যাটিং ফর্ম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ইরফান পাঠানও। ভারতের প্রাক্তন অলরাউন্ডার জানান, টেকনিক্যাল কিছু পরিবর্তন করতে হবে বাঁ হাতি ওপেনারকে।