আজকাল ওয়েবডেস্ক: গোটা বিশ্বকাপ জুড়েই তাঁকে নিয়ে প্রচুর সমালোচনা হয়েছিল। টুর্নামেন্টের শুরুতে পেট খারাপ নিয়ে প্রথম ম্যাচে ছিটকে যাওয়া, সেই অবস্থাতেই গৌতম গম্ভীরের বাড়িতে ডিনারে যাওয়া, পরপর তিন ম্যাচে শূন্য এবং আরও কত কী।
ফাইনালের আগে পর্যন্ত শুধু জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধেই অর্ধশতরান করেছিলেন টিম ইন্ডিয়ার তারকা ওপেনার অভিষেক শর্মা। ১৪০ কোটি ভারতবাসী অপেক্ষা করছিল কবে ফর্ম ফিরবে বাঁহাতি ব্যাটারের।
তাঁর সতীর্থ সঞ্জু স্যামসন সেমিফাইনালে জিতিয়ে বলেছিলেন, ফাইনালে চেনা ছন্দে দেখা যাবে অভিষেককে। যাবতীয় বিতর্ক কাটিয়ে অবশেষে ফর্ম ফিরল অভিষেক শর্মার।

বড় ম্যাচে ঝোড়ো অর্ধশতরানে নিজের জাত চেনালেন তিনি। ২১ বল খেলে তিনি করলেন ৫২ রান। এদিন নিউজিল্যান্ড তাঁদের অফ স্পিনার কোল ম্যাকঙ্কিকে খেলায়নি।
তাঁর বদলে শুরুতে এক ওভার বল করেন গ্লেন ফিলিপস। কিন্তু উল্টোদিকে ইন ফর্ম স্যামসন থাকায় ফিলিপসকে দ্বিতীয় ওভার করানোর ঝুঁকি নেননি স্যান্টনার।
সেই সুবিধাই পেসারদের মাঠের চারদিকে উড়িয়ে ফেললেন অভিষেক। সেই সঙ্গে রেকর্ডও গড়লেন তিনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে দ্রুততম অর্ধশতরানের রেকর্ড গড়লেন অভিষেক।
তাঁর ৫২ রানের ইনিংসে ছিল ছ'টি চার এবং তিনটি বিশাল ছক্কা। লকি ফার্গুসন, জেকব ডাফি, ম্যাট হেনরি কাউকে ছাড়লেন না তিনি। তবে খানিকটা হলেও মানসিকতার পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেল অভিষেকের মধ্যে।
গত এক বছরে বাউন্ডারি বা ওভার বাউন্ডারি দিয়ে ইনিংস শুরু করতে দেখা গিয়েছে অভিষেককে। যা কার্যত ট্রেডমার্ক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু এদিন সাবধানতার সঙ্গে ইনিংস শুরু করলেন।
শুরুতে কয়েকটা বল দেখে খেললেন, সিঙ্গল নিলেন। একবার ছন্দ পেতেই তারপর পিটিয়ে ছাতু করলেন বোলারদের। স্যান্টনারের বলে আউট হলেও ফাইনালে ভারতের গাড়ি ফিফথ গিয়ারে রেখে দিয়েই গেলেন তিনি।
