আজকাল ওয়েবডেস্ক: অবশেষে রান পেলেন অভিষেক শর্মা। টি–২০ বিশ্বকাপে। তিনটে শূন্য আর ১৫ করার পর অবশেষে এল অর্ধশতরান। তিনি তো বটেই, দলও পেল স্বস্তি।
অভিষেক নিজেও জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে এই মুহূর্তটারই অপেক্ষা করছিলেন। সাফল্যের জন্য কৃতিত্ব দিয়েছেন গোটা দলকে।
বিশ্বকাপের একটি ম্যাচে পেটের সমস্যার কারণে খেলতে পারেননি। গ্রুপ পর্বের বাকি তিনটি ম্যাচেই শূন্য করেন অভিষেক। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে মাত্র ১৫ রান করেন। অবশেষে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে আবার ফর্মে দেখা গেল তাঁকে। অভিষেক বলেছেন, ‘রান করলে সব সময়েই ভাল লাগে। দলের জন্য অবদান রাখতেও পেরেছি। অনেক দিন ধরে এই মুহূর্তটার অপেক্ষা করছিলাম। অবশেষে সেটা হয়েছে। আমি খুব খুশি।’
এদিন ২৬ বলে অর্ধশতরান করেছেন অভিষেক। এটি তাঁর দ্বিতীয় মন্থরতম অর্ধশতরান। কেন হঠাৎ মাঝের দিকে ধীরগতিতে ব্যাট করছিলেন? অভিষেকের উত্তর, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে ধীরগতিতে ব্যাট করিনি। কয়েকটা বল খেলার পর চেষ্টা করছিলাম পিচে যতটা সম্ভব সময় কাটানোর। কারণ এই ম্যাচের আগে গোটা প্রতিযোগিতায় ১০–১২ বলও খেলতে পারিনি। তাই ক্রিজে একটু সময় কাটানোও লক্ষ্য ছিল। যেভাবে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে তার জন্য গোটা দলকে ধন্যবাদ দিতে চাই। শেষের দিকে মনেই হয়নি যে আমি দলের হয়ে রান করতে পারছি না। এতটাই ভাল ভাবে আমার খেয়াল রেখেছে সকলে।’
এরপরই অভিষেক জুড়ে দেন, ‘অনুশীলনই হোক বা হোটেল, সকলে সব সময় আমার পাশে ছিল। সকলেই এই মুহূর্তটার জন্য অপেক্ষা করছিল। আমাকে বার বার এটাই মনে করাচ্ছিল যে, আগে অনেক রান করেছি আমি। তাই এবারও রান পাওয়া স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখতে বলেছিল। সেটাই করেছি আমি।’
জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে প্রত্যেকেই দু’অঙ্কের রান পেয়েছেন। শেষের দিকে হার্দিক পাণ্ডিয়া এবং তিলক বর্মার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভারতের রান ২৫০ পেরিয়ে যায়। অভিষেকের মনে হয়েছে, শেষের দিকে যেন ভিডিও গেমে ব্যাটিং দেখছিলেন। অভিষেকের কথায়, ‘যেভাবে ওরা ইনিংসটা শেষ করল তাতে মনে হল যেন ভিডিও গেম দেখছিলাম। দলের মধ্যে সেই সাহসটা ফিরে এসেছে। ঠিক যেভাবে গত বছর খেলেছিলাম, সেভাবেই খেলতে পেরেছি। দলের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল যে, যদি আমরা এটা বুঝতে পারি যে, প্রচুর খেলেছি, তাহলে মাঠে নেমে খোলা মনে খেলতে হবে। অনুশীলনেও সেটা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। ব্যাটার হিসাবে খোলা মনে খেলার স্বাধীনতা সকলের রয়েছে। সেটাই করেছি আমরা।’
